ঢাকা, বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ১১ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

শিশু অধিদফতর প্রতিষ্ঠার কাজ অনেক দূর এগিয়ে গেছে: চুমকি


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৮:২৭ পিএম, ১৮ জুলাই ২০১৮, বুধবার
শিশু অধিদফতর প্রতিষ্ঠার কাজ অনেক দূর এগিয়ে গেছে: চুমকি

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বলেছেন, ‘শিশুর সার্বিক অধিকার সুরক্ষায় শিশু অধিদফতর প্রতিষ্ঠার কাজ অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আমরা আশা করছি, এটা করতে পারবো।’ বুধবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারস্থ ইত্তেফাক অফিস সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন : শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠায় চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

বেসরকারি সংস্থা অ্যাকশন ফর সোস্যাল ডেভলপমেন্ট (এএসডি) ও দৈনিক ইত্তেফাক যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।আলোচনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এএসডির প্রকল্প ব্যবস্থাপক ইউ কে এম ফারহানা সুলতানা।

দৈনিক ইত্তেফাকের সম্পাদক তাসমিমা হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য বেগম জেবুন্নেসা আফরোজ, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য বেগম ফজিলাতুন নেসা বাপ্পি ও বেগম কামরুন নাহার, সিনিয়র সচিব ও পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. শামসুল আলম এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব খোন্দকার মোস্তান হোসেন।

ইত্তেফাকের মহিলাঙ্গন বিভাগীয় সম্পাদক রাবেয়া বেবির সঞ্চালনায় গোলটেবিলে এএসডির নির্বাহী পরিচালক জামিল এইচ চৌধুরী, এএসডির উপ-নির্বাহি পরিচালক মো. মোজাম্মেল হক, বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরামের পরিচালক আবদুস শহীদ মাহমুদ, ইউনিসেফের সামাজিক নীতি বিশেষজ্ঞ হাসিনা বেগম, পুলিশের উইমেন সাপোর্ট সেন্টারের ডিসি ফরিদা ইয়াসমীন, আইএলও’র ন্যাশনাল প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর সৈয়দা মনিরা সুলতানা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রাশেদা রওনক খান প্রমুখ আলোচনায় অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধে ইউ কে এম ফারহানা সুলতানা বলেন, ‘বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরামের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ২ হাজার ৩৩ শিশু সহিংসতা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে।’ তিনি বলেন, নির্যাতন বন্ধে সরকারকে আরও উদ্যোগ নিতে হবে। বাংলাদেশের কাঠামোগত একটি দুর্বলতা হচ্ছে শিশুদের জন্য আলাদা কোন দায়িত্বশীল অধিদপ্তর না থাকা।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এখন সর্বদিক দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ । দেশে দারিদ্রের হার কমে আসছে। দেশে ভিক্ষুকের সংখ্যা আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে।

মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, আগে দেশে বাল্য বিবাহ ছিল অগণিত। বাল্য বিবাহ ঠেকাতে কিশোর-কিশোরী ক্লাব গঠন করে দেয়া হয়েছে। সরকারের কার্যকর ভূমিকার কারণে বাল্যবিবাহ এখন উল্লেখযোগ্য হারে কমে এসেছে। কোথাও কোন শিশু নির্যাতনের ঘটনা নজরে আসলে সে বিষয়ে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

অমৃতবাজার/শাওন