ঢাকা, রোববার, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

২৪০ রানে অলআউট পাকিস্তান


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৪:৫১ পিএম, ২১ নভেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার
২৪০ রানে অলআউট পাকিস্তান

 

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্রিসবেনের গ্যাবায় সিরিজের প্রথম টেস্টে দুর্দান্ত সূচনার পরও উইকেট রেখে দিনটি পার করতে পারলো না পাকিস্তান। উদ্বোধনী জুটির পর বাকি টপঅর্ডার ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার কারণে আজহার আলীরা ২৪০ রানে হয়ে যায় অলআউট। স্টার্ক ও কামিন্সের দাপটে হুড়মুড়িয়ে পড়ে পাক ব্যাটিং লাইনআপ।

টস জিতে শান মাসুদকে নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামেন আজহার আলী। দক্ষতার সঙ্গে ব্যাট চালিয়ে প্রথম সেশনের পুরো ৩৩টি ওভার পার করেন এই জুটি। ব্যক্তিগত ২৭ রানের মাথায় শান মাসুদকে কট অ্যান্ড বোল্ড করেন প্যাট কামিন্স। তখন দলীয় রান ৭৫ রান। একইসঙ্গে শুরু হয় ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়। ৭৫ থেকে ৭৮ এই ৪ রানের মধ্যে নেই টপঅর্ডারের চার জন ব্যাটসম্যান।

শান মাসুদ মাঠ থেকে উঠতে না উঠতেই তার পথ অনুসরণ করেন অপর ওপেনার অধিনায়ক আজহার আলী। দলীয় ৭৫ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ৩৩ রানে আউট হন তিনি। তারপর হারিস হোসেল এবং বাবর আজম উভয়েই ১ রান করে আউট হন। তখন পাকিস্তানের স্কোর ৭৮। এর কিছুক্ষণ পরে ইফতিখার আহমেদ ৭ রানে আউট হলে ৯৪ রানেই ৫ উইকেট হারায় পাকিস্তান। পাঁচ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় পাকিস্তান।

এই চাপের মধ্যে একদিক আগলে রাখেন আসাদ শফিক। উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ানকে নিয়ে অসিদের আক্রমণ প্রতিহত করে স্কোর বাড়াতে থাকেন আসাদ। দলীয় ১৬৩ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ৩৭ রানে রিজওয়ান কট অ্যান্ড বোল্ড হন সেই কামিন্সের বলেই। এরপর দলের কান্ডারি হিসেবে দাঁড়িয়ে থাকেন আসাদ শফিক।

এরপর ইয়াসির শাহকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংসের সর্বোচ্চ ৮৪ রানের জুটি গড়েন আসাদ। কিন্তু দলীয় ২২৭ রানের মাথায় পরপর ৩ উইকেট হারিয়ে বসে পাকিস্তান। মিশেল স্টার্কের আঘাতে ইয়াসির ফেরেন ২৭ রান করে এবং শাহীন আফ্রিদি ০ রানে বোল্ড হয়ে। এর পরই কামিন্সের বলে বোল্ড হয়ে যান আসাদ। তখন তার ব্যক্তিগত রান ৭৬। এরপর অলআউট হতে আর বেশি সময় লাগেনি তাদের। নাসিম শাহকে ৭ রানে কট অ্যান্ড বোল্ড করে পাকিস্তানের স্কোর বোর্ড থামিয়ে দেন মিশেল স্টার্ক।

অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে মিশেল স্টার্ক ৫২ রানের বিনিময়ে ৪টি উইকেট দখল করেন। অপর পেসার কামিন্সও কম যান না, তিনি ৬০ রান দিয়ে দখল করেন ৩ উইকেট। বাকি ৩ উইকেটের মধ্যে নাথান লিওন ১টি এবং জশ হ্যাজলউড ২টি দখল করেন।

অমৃতবাজার/এএস