ঢাকা, শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০১৯ | ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

দায়িত্বের শুরুতেই আইসিসির সঙ্গে সঙ্ঘাতে সৌরভ!


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৭:৪৭ পিএম, ১৫ অক্টোবর ২০১৯, মঙ্গলবার
দায়িত্বের শুরুতেই আইসিসির সঙ্গে সঙ্ঘাতে সৌরভ!

 

দায়িত্ব নিতে না নিতেই বিশ্ব ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির সঙ্গে সঙ্ঘাতে জড়ালেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নয়া বস সৌরভ গাঙ্গুলী। চেয়ারে না বসতেই সংস্থাটির বিরোধিতায় সরব হয়ে উঠেছেন সাবেক ভারতীয় ক্যাপ্টেন। মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

এর আগে গত সোমবার (১৪ অক্টোবর) নতুন ফিউচার ট্যুর প্রোগ্রাম (এফটিপি) ঘোষণা করে আইসিসি। যেখানে ভারতকে তোয়াক্কা না করেই নতুন এই এফটিপি ঘোষণা করা হয়েছে বলে এর তীব্র বিরোধিতা সরব বিসিসিআই। একইসঙ্গে সংস্থাটির এ আচরণ অনৈতিক বলে দাবি করছে তারা।

ওইদিন দুবাইয়ে আইসিসির সদর দফতরে গুরুত্বপূর্ণ এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। যাতে প্রতি চার বছরের পরিবর্তে তিন বছর পরপর ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং এক বছর অন্তর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। আগামী ২০২৩ বিশ্বকাপের পর থেকে চালু হবে নতুন এ নিয়ম। যা চলবে আগামী ২০৩১ সাল পর্যন্ত। এছাড়াও থাকছে আরও দুটি বাড়তি টুর্নামেন্ট। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আদলে হবে এ দুটি প্রতিযোগিতা।

তবে আইসিসির নতুন এ সিদ্ধান্ত ও আচরণ মেনে নেবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে সৌরভের নেতৃত্বাধীন বিসিসিআই। এভাবে চললে আইসিসির মেম্বার্স পার্টিসিপেশন এগ্রিমেন্টে সই করবে না বলেও হুমকি দিয়েছে বিশ্বের প্রভাবশালী এ ক্রিকেট বোর্ড।

এর আগে বিসিসিআইর সভাপতি থাকাকালীন বিশ্ব ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থার বর্তমান চেয়ারম্যান শশাঙ্ক মনোহরের কাজের ধরন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন ভারতীয় বোর্ডের কর্মকর্তা অনুরাগ ঠাকুর ও এন শ্রীনিবাসন। তখন ২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ঠিক আগে আইসিসির সঙ্গে মেম্বার্স পার্টিসিপেশন এগ্রিমেন্ট বাতিলও করতে চেয়েছিল ভারত।

সেই ধারাবাহিকতায় এবার আইসিসির সঙ্গে বিরোধ বাঁধছে বিসিসিআই`র নতুন সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলিরও। বোর্ডের মসনদে বসার আগেই বিশ্ব ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন তিনি।

কলকাতার মহারাজা বলেন, ক্রিকেট বিশ্বে ৭০-৮০ শতাংশ উর্পাজন সরবরাহ করে ভারত। সেক্ষেত্রে আইসিসি থেকে টিম ইন্ডিয়ার আরও বেশি টাকা পাওয়া উচিত। এমনকি, শেষ কয়েক বছরে ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা থেকে বিসিসিআই কোনও অর্থ পায়নি বলেও অভিযোগ করেছেন বাংলার দাদা।

অমৃতবাজার/এএস