ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৯ | ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

মেসির মাইলফলক ম্যাচে জয়ে ফিরল বার্সেলোনা


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০:৩৬ এএম, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বুধবার
মেসির মাইলফলক ম্যাচে জয়ে ফিরল বার্সেলোনা

 

ঘরের মাঠে আধিপত্য ধরে রেখেছে বার্সেলোনা। উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে যাওয়া কাতালান জায়ান্টরা ভিয়ারিয়ালকে হারিয়ে জয়ে ফিরেছে।

মঙ্গলবার দিনগত রাতে বার্সার হয়ে ৪০০তম ম্যাচ খেলতে নামেন আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি। মাইলফলকের ম্যাচে চোট পেয়ে মাঠের বাইরে যেত হয় মেসিকে৷ তবে জয় আটকায়নি বার্সার৷ ভিয়ারিয়ালকে ২-১ গোলে হারিয়ে চারে উঠে এলো এরনেস্তো ভালভেরদের শিষ্যরা৷

মেসির মাইলফলক ম্যাচের পাশাপাশি এদিন ছিল বার্সার ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যু’র ৬২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ১৯৫৭-এর ২৪ সেপ্টেম্বর স্টেডিয়ামটি যাত্রা শুরু করেছিল।

ক্যাম্প ন্যু’তে লা লিগার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটিতে এদিন তিনটি গোলই হয় প্রথমার্ধে। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে মেসির নেওয়া কর্নার কিক থেকে কড়া মার্কিংয়ের বেড়া জাল ভেঙে হেড দিয়ে গোল করেন আতোয় গ্রিজম্যান।

ম্যাচের ১৫তম মিনিটে সার্জিও বুসকেটের পা থেকে বল পেয়ে যান বার্সার ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার আর্থার। প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে আচমকাই ডান পায়ের এক শটে বল জালে জড়ান তিনি।

এর ১০ মিনিট পর বার্সা কোচ ও সমর্থকদের চিন্তার কারণ হয়ে ওঠে মেসির চোট। সাইড লাইনে কিছু সময় উরুতে চিকিৎসা নিয়ে আবার মাঠে ফেরেন মেসি।

ম্যাচের ৪৪তম মিনিটে ব্যবধান কমায় অতিথি দলটি। পেনাল্টি বক্সের বাইরে থেকে বাম পায়ের বুলেট গতির শটে বল লক্ষ্য ভেদ করেন স্যান্টি কাসোরলা।

বিরতির পর মেসিকে নিয়ে অবশ্য কোনও ঝুঁকি নেননি বার্সা কোচ ভালভেরদে। শুরু থেকেই মেসির পরিবর্তে মাঠে নামান ইনজুরি থেকে ফেরা উসমান ডেম্বেলেকে।

দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য কোনও দলই গোলের মুখ খুলতে পারেনি৷ ফলে ২-১ ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়ে বার্সা৷

সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলে দু’ম্যাচ পর জয়ের মুখ দেখল বার্সেলোনা। উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে গোলশূন্য শেষ করার পর গত শনিবার লা-লিগায় গ্রানাদার কাছে ০-২ ব্যবধানে হেরেছিল বার্সা। আর চলতি মৌসুমে লা লিগায় এটি তৃতীয় জয় তাদের৷

তিনটিই ঘরের মাঠে। ৬ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বরে রয়েছে মেসিরা৷ ৬ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে গ্রানাদা। আর ৫ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে অ্যাতলেতিকো বিলবাও এবং রিয়াল মাদ্রিদ।

অমৃতবাজার/এএস