ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯ | ৩০ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণের অভিযোগে লজ্জায় দিন কাটিয়েছেন রোনালদো


অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:০৪ পিএম, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার
ধর্ষণের অভিযোগে লজ্জায় দিন কাটিয়েছেন রোনালদো

 ব্রিটিশ টিভি তারকা পিয়ার্স মরগান কয়েক দিন আগেই জানিয়েছেন চমকে দিতে যাচ্ছেন। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন, যেখানে এমন এক রোনালদোর দেখা পেয়েছেন যা এর আগে দেখা যায়নি। মরগান কথা রেখেছেন। তাঁর সঙ্গে কথোপকথনে আবেগে কেঁদেছেন। আবার তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ নিয়েও অসহায়ত্বের কথা প্রকাশ করেছেন রোনালদো।


যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক মডেল ক্যাথরিন মায়ারগো গত বছর অভিযোগ করেছিলেন ১০ বছর আগে তাঁকে ধর্ষণ করেছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। জার্মান পত্রিকা ডের স্পাইগেল এ নিয়ে অক্টোবরে বড় এক রিপোর্ট করেছিল। সে মামলার নিষ্পত্তি এই জুলাইয়ে হয়েছে। মামলার অভিযোগের ব্যাপারে পুরোপুরি নিশ্চিত হতে না পারায় অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে রোনালদোকে। এ নিয়ে যদিও অনেকেই তাঁর ক্লাব জুভেন্টাসের বিপক্ষে প্রভাব খাটানোর অভিযোগ তুলেছেন। মরগানের সঙ্গে আলোচনায় সে প্রসঙ্গও উঠে এসেছে।

ডের স্পাইগেল জানিয়েছিল, ২০০৯ সালে এ ব্যাপারটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য মায়োরগাকে ৩ লাখ ৭৫ হাজার ডলার দিয়েছিলেন রোনালদো। মরগানের সঙ্গে কথোপকথনে রোনালদো সেই অভিযোগের সময়কার অনুভূতির কথা জানিয়েছেন অকপটে, ‘তারা মান সম্মান নিয়ে খেলা করেছে, এটা কঠিন। বান্ধবী আছে, পরিবার আছে, সন্তান আছে। যখন আপনার সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়, সেটা খুব খারাপ, খুব কঠিন।’

ধর্ষণের অভিযোগ এখন তুলে নেওয়া হয়েছে। এখন আর সে আলোচনাও হয় না। কিন্তু এক সময় পত্রিকার পাতা খুললে কিংবা টিভি চ্যানেলে সব সময় রোনালদোর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগের আলোচনাই গুরুত্ব পেয়েছে। সে সময়ে মানসিকভাবে অসহায় হয়ে পড়েছিলেন রোনালদো, ‘আমার মনে আছে একদিন আমার বান্ধবীর সঙ্গে লিভিং রুমে বসে টিভি দেখছিলাম। খবর দেখছিলাম। তখন তারা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও ওই ব্যাপারেই বলছিল। তখন আমি আমার সন্তানদের সিঁড়ি বেয়ে নামার শব্দ পেলাম সঙ্গে সঙ্গে আমি চ্যানেল বদল করে ফেলেছি কারণ আমি খুবই লজ্জা পেয়েছিলাম। আমার খুবই লজ্জিত হয়েছিলাম। আমি চ্যানেল বদলে ফেলেছি যাতে ক্রিস্টিয়ানো জুনিয়র শুনতে না পায় ওর বাবা সম্পর্কে কী বলছে ওরা। খুবই বাজে একটা বিষয় নিয়ে। সত্যি বলছি, আমার খুব মন খারাপ হয়েছিল।

অমৃতবাজার/ কেএসএস