ঢাকা, বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯ | ১১ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

এবারের বিশ্বকাপের ‘বুড়ো’ একাদশ


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ০২:২৬ পিএম, ০৩ জুন ২০১৯, সোমবার
এবারের বিশ্বকাপের ‘বুড়ো’ একাদশ

এবারের বিশ্বকাপে প্রায় প্রতিটি দলেই অভিজ্ঞতার ঝুলি সমৃদ্ধ করতে আছেন এমন কয়েকজন, যারা সহজেই ম্যাচের গতিপথ বদলে দিতে পারেন অভিজ্ঞতার মাধ্যমে। বিশ্বকাপের এমনই ১১ জন অভিজ্ঞতা ও বয়স্ক ক্রিকেটারের তালিকা দেখে নিন, যারা এখনো দলের অন্যতম প্রাণ ভোমরা।

ইমরান তাহির (দক্ষিণ আফ্রিকা)
উইকেট পাওয়ার পর প্রায় পুরো মাঠ দৌড়ে বেড়ান। তার দৌড় দেখে ঘুণাক্ষরেও আঁচ করা যায় না গত মার্চে চল্লিশে পা রেখেছেন প্রোটিয়া লেগ স্পিনার। এমনকি এবারের বিশ্বকাপের প্রবীণতম ক্রিকেটারটিও তাহির।

ক্রিস গেইল (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)
জ্যামাইকার ‘ইউনিভার্স বস’, বোলারদের যম। তার মতো বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান ক্রিকেট ইতিহাসেই হাতে গোনা। ৩৯ বছর বয়সী এই ওপেনারের ফর্মের ওপরেই নির্ভর করছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিশ্বকাপ মিশন।

মোহাম্মদ হাফিজ (পাকিস্তান)
পাকিস্তানের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার ছিলেন মোহাম্মদ হাফিজ। ৩৮ বছর বয়সী হাফিজ পাকিস্তানের তার অভিজ্ঞতা দিয়ে দলকে ভরসা দেবেন, সেই আশাতেই তাকে নেওয়া।

শোয়েব মালিক (পাকিস্তান)
ম্যাচের দিক থেকে পাকিস্তানের বিশ্বকাপ দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়র শোয়েব মালিক। ৩৭ বছর বয়সেও দলের অন্যতম ব্যাটিং ভরসা। ওয়ানডেতে ছয় হাজারের বেশি রান এবং প্রায় ১৩৭ উইকেটের মালিক তিনি।

মহেন্দ্র সিং ধোনি (ভারত)
অধিনায়ক হিসেবে দেশকে যা যা জেতানো যায়, তার প্রায় সবই জিতিয়েছেন ধোনি। জীবনের প্রায় ৩৬ বসন্ত পেছনে ফেলে এখনো ছুটে চলেছেন দুরন্ত গতিতে।

হাশিম আমলা (দক্ষিণ আফ্রিকা)
বছরের পর বছর প্রোটিয়াদের ইনিংস শুরুর দায়িত্ব সামলাচ্ছেন হাশিম আমলা। ইদানীং ব্যাটে কিছুটা রানখরা চলছে। এরপরও ৩৬ বছর বয়সী এই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানের ফর্মে ফেরার দিকেই তাকিয়ে প্রোটিয়ারা।

জীবন মেন্ডিস (শ্রীলঙ্কা)
৩৬ বছর বয়সী অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার জীবন মেন্ডিস। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে যদিও তেমন কোনো আহামরি প্রদর্শন ছিল না, তবুও দলের প্রয়োজনে জ্বলে উঠবেন এমনটাই আশা সবার।

রস টেলর (নিউজিল্যান্ড)
এ বিশ্বকাপে কিউইদের অনেক বড় শক্তি। ৩৫ বছর বয়সেও ধারাবাহিকতার প্রতিমূর্তি রস টেলর।

ডেল স্টেইন (দক্ষিণ আফ্রিকা)
ইংল্যান্ডের পেসবান্ধব কন্ডিশনে দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিংয়ের প্রাণ হিসেবেই কল্পনা করা হচ্ছিল তাকে। যদিও কাঁধের ইনজুরিতে জর্জরিত হয়ে এখনো বিশ্বকাপে মাঠে নামা হয়নি তার। ৩৫ বছর বয়সী স্পিড স্টার স্টেইনকে আর যাই বলা হোক না কেন, অন্তত বুড়ো বলা যায় না!

লাসিথ মালিঙ্গা (শ্রীলঙ্কা)
২০০৭ সালে প্রথম বিশ্বকাপ খেলা মালিঙ্গা এখনো ব্যাটসম্যানদের বুকে কাঁপন ধরান। মালিঙ্গা আগামী আগস্টে ৩৬ বছরে পা রাখবেন। কিন্তু ডেথ ওভারে তার নিখুঁত ইয়র্কারগুলো দিয়ে যে বিশ্বকাপেও ব্যাটসম্যানদের ভোগাবেন, তা নিশ্চিত করেই বলা যায়।

মাশরাফি বিন মুর্তজা।
এবারের বিশ্বকাপই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার শেষ কোনো বড় টুর্নামেন্ট, এই ঘোষণা বিশ্বকাপে যাওয়ার আগেই দিয়েছেন। কিন্তু বাংলাদেশ অধিনায়ক তার আগে অবশ্যই স্মরণীয় করে রাখতে চাইবেন তার শেষ বিশ্বকাপ। ৩৫ বছর বয়সেও এখনো বাংলাদেশের পেস আক্রমণের মূল ভরসা মাশরাফি। আগের মতো গতিতে বল করতে না পারলেও বুদ্ধিদীপ্ত আর বৈচিত্র্যপূর্ণ বোলিং দিয়ে কাবু করেন ব্যাটসম্যানদের।

অমৃতবাজার/পিকে