ঢাকা, সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০১৯ | ৫ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ওয়ার্নার-রশিদ খানের নৈপুণ্যে হায়দরাবাদের জয়


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:৩৭ পিএম, ৩০ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার
ওয়ার্নার-রশিদ খানের নৈপুণ্যে হায়দরাবাদের জয়

ডেভিড ওয়ার্নারের ব্যাটিংয় তাণ্ডবে ২১২ রানের পাহাড়সম স্কোর গড়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। সেই রান তাড়া করতে নেমে রশিদ খানের গুগলি ও খলিল আহমেদের গতির মুখে পড়ে ১৬৭ রানের বেশি তুলতে পারেন ক্রিস গেইলদের কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। ৪৫ রানের জয়ে প্লে অফের পথে একধাপ এগিয়ে গেল হায়দরাবাদা।

ডেভিড ওয়ার্নারের ব্যাটিং তাণ্ডবে পাঞ্জাবের বিপক্ষে রানের পাহাড় গড়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। আইপিএলের চলতি আসরের ৪৮তম ম্যাচে ৫৬ বলে ৮১ রান করেন ওয়ার্নার।

চলতি আইপিএলে দুর্দান্ত খেলছেন হায়দরাবাদের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার। বল টেম্পারিং বিতর্কে এক বছরের নিষিদ্ধাদেশ কাটিয়ে খেলায় ফিরেই রান মেশিন হয়ে গেছেন ওয়ার্নার।

সোমবার ক্রিস গেইলদের কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে ঝড় তোলেন ওয়ার্নার।

হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামে অনবদ্য ব্যাটিং করেন ওয়ার্নার। এদিন উদ্বোধনীতে হৃদ্ধিমান সাহাকে সঙ্গে নিয়ে ৭৮ রানের জুটি গড়েন।

এরপর তিনে ব্যাটিংয়ে নামা মনশ পান্ডিয়াকে সঙ্গে নিয়ে ফের ব্যাটিং তাণ্ডব চালান ওয়ার্নার। দ্বিতীয় উইকেটেগড়েন ৮৮ রানের জুটি।

৫৬ বলে সাতটি চার ও দুটি ছক্কায় ৮১ রান করে সাজঘরে ফেরেন অস্ট্রেলিয়ান এই ওপেনার। চলতি আইপিএলে ১২ ম্যাচে এক সেঞ্চুরি এবং আট ফিফটির সাহায্যে ৬৯২ রান নিয়ে শীর্ষে রয়েছেন হায়দরাবাদের এই ওপেনার।

ইনিংসের শেষ দিকে মোহাম্মদ নবীর ঝড়ো ব্যাটিংয়ে শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেট হারিয়ে ২১২ রানের পাহাড় গড়ে হায়দরাবাদ।

টার্গেট তাড়া করতে নেমে ইনিংসের শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে পাঞ্জাব। রশিদ খান-খলিল আহমেদরে স্পিন-গতিতে বিধ্বস্ত হয়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে পাঞ্জাব। তবে লোকেশ রাহুলের একার লড়াই দলের পরাজয় এড়াতে পারেনি। পাঞ্জাবের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৯ রান করেন রাহুল। তার ইনিংসটি ৫৬ বলে চারটি চার ও ছয়টি ছক্কায় সাজানো।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
হায়দরাবাদ: ২০ ওভারে ২১২/৬ ( ওয়ার্নার ৮১, মনশ পান্ডিয়া ৩৬, হৃদ্ধিমান ২৮)।

পাঞ্জাব: ২০ ওভারে ১৬৭/৮ (রাহুল ৭৯, মায়াঙ্ক আগরওয়াল ২৭; রশিদ খান ৩/২১, খলিল ৩/৪০।

ফল: হায়দরাবাদ ৪৫ রানে জয়ী।

ম্যাচসেরা: ডেভিড ওয়ার্নার (হায়দরাবাদ)।

অমৃতবাজার/আরএইচ