ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০১৯ | ৬ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ওয়ার্নার-পুরানের ফিফটিতে সিলেটে লড়াকু পুঁজি


অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০২:২০ পিএম, ০৯ জানুয়ারি ২০১৯, বুধবার
ওয়ার্নার-পুরানের ফিফটিতে সিলেটে লড়াকু পুঁজি

হারে বিপিএল মিশন শুরু হয়েছে সিলেট সিক্সার্সের। নিজেদের প্রথম ম্যাচে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের বিপক্ষে পরাজিত হয়েছে সিক্সার্সরা। ফলে প্রথম জয়ের খোঁজে তারা। সেই লক্ষ্যে চিটাগং ভাইকিংসকে ১৬৯ রানের টার্গেট দিয়েছে ‘চায়ের দেশের’ দলটি। বুধবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন সিলেট অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার।

তবে শুরুটা শুভ হয়নি সিলেটের। সূচনালগ্নে তাদের ঘাড়ে চেপে বসে অশুভ ভূত। অযাচিত শট খেলে আসেন আর যান টপঅর্ডাররা। ইনিংসের শুরুতে রবি ফ্রাইলিংকের বলে ক্যামেরন ডেলপোর্টকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন লিটন দাস।

প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগে নাঈম হাসানকে উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসেন নাসির হোসেন। ফলে ইনজুরি কাটিয়ে দীর্ঘদিন পর তার প্রত্যাবর্তনটা সুখের হয়নি। মোসাদ্দেক হোসেনকে ক্যাচ দেয়ার আগে মাত্র ৩ রান করেন মিস্টার ফিনিশার। সেই রেশ না কাটতেই ফ্রাইলিংকের বলে সরাসরি বোল্ড হয়ে ফেরেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৬ মাস নিষিদ্ধ হার্ডহিটার সাব্বির রহমান।

৬ রানে টপঅর্ডারের ৩ উইকেট হারালে চাপে পড়ে সিলেট সিক্সার্স। সেই পরিস্থিতিতে শক্ত হাতে দলের হাল ধরেন আফিফ হোসেন। প্রথমে ডেভিড ওয়ার্নারের সঙ্গে চাপ কাটিয়ে ওঠেন তিনি। পরে শাসাতে থাকেন প্রতিপক্ষ বোলারদের। দারুণ খেলছিলেন এ তরুণ। তবে হঠাৎই পথচ্যুত হন। খালেদ আহমেদের শর্ট বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ফেরার আগে খেলেন ২৮ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৪৫ রানের নান্দনিক ইনিংস।

একে একে ফিরে গেলেও একপ্রান্ত আগলে থেকে যান ওয়ার্নার। প্রথমে দেখেশুনে খেললেও সময় গড়ানোর সঙ্গে খোলস ছেড়ে বের হন তিনি। ছোটাতে থাকেন রানের ফোয়ারা। তাকে যোগ্য সহযোদ্ধার সমর্থন দেন নিকোলাস পুরান।

পথিমধ্যে ফিফটি তুলে নেন ওয়ার্নার। প্রথমবারের মতো খেলতে এসেছেন বিপিএলে। সেই হিসেবে এ টুর্নামেন্টে এটি তার প্রথম ফিফটি। তবে ফিফটির পর খুব বেশি দূর এগোতে পারেননি তিনি। ফ্রাইলিংকের বলে রিভার্সসুইপ খেলতে গিয়ে মুশফিকুর রহিমকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন অজি ওপেনার। তিনি থামেন ৪৭ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ব্যক্তিগত ৫৯ রানে।

পরে শুধু চলেছে পুরান শো। ব্যাটকে তলোয়ার বানিয়ে চিটাগং বোলারদের কচুকাটা করে ছাড়েন তিনি। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ওভারে ৫ উইকেটে ১৬৮ রান করে সিলেট। ৫২ রানের হার না মানা ইনিংস খেলেন পুরান। ৩২ বলে ৩টি করে চার-ছক্কায় ই ইনিংস সাজান তিনি। অপরপ্রান্তে ২ রানে অপরাজিত থাকেন অলক কাপালি।

অমৃতবাজার/ইকরামুল