ঢাকা, শনিবার, ২৩ মার্চ ২০১৯ | ৯ চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

ব্যাট করে ইতিহাস গড়েছেন ম্যাথিউস-মেন্ডিস


অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৭:৪৮ পিএম, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার
ব্যাট করে ইতিহাস গড়েছেন ম্যাথিউস-মেন্ডিস

ইনিংস পড়ায়ের শঙ্কার মধ্যেই দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস ও কুশল মেন্ডিস। ওয়েটলিংয়ের বেসিন রিজার্ভে মঙ্গলবার ৩ উইকেটে ২০ রান নিয়ে খেলতে নেমে চতুর্থ দিনের পুরো সময় ব্যাট করে ইতিহাস গড়েছেন ম্যাথিউস-মেন্ডিস।

টেস্ট ক্রিকেটে এনিয়ে ২২বার কোনো দল উইকেট না হারিয়ে কাটিয়ে দিল একটি দিন। একদিনে পুরো ব্যাট করে ইতিহাসের পাতায় স্থান করে আছেন নিউজিল্যান্ডের গ্রায়েম স্মিথ এবং ম্যাকেঞ্জি। ২০০৮ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে নিউজিল্যান্ডের হয়ে গ্রায়েম স্মিথ এবং ম্যাকেঞ্জি পুরো দিন ব্যাট করে সর্বোচ্চ ৪০৫ রান করেন।

২০০৬ সালে কলম্বো টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শ্রীলংকার সাবেক দুই অধিনায়ক কুমার সাঙ্গাকারা এবং মাহেলা জয়াবর্ধনে পুরো একদিন ব্যাট করে ৩৫৭ রান সংগ্রহ করেন। ২০০১ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে কলকাতা টেস্টে পুরো দিনে ব্যাট করে ৩৩৫ রান করেন ভারতের সাবেক তারকা ক্রিকেটার রাহুল দ্রাবিড় এবং ভিভিএস লক্ষণ।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চলমান ওয়েটলিংয়ে টেস্টের চতুর্থ দিনে মঙ্গলবার পুরো চার সেশন ব্যাট করেন কুশল মেন্ডিস ও অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস। পুরোদিন ব্যাট করে সেঞ্চুরি তুলে নেয়ার পাশাপাশি ২৩৯ রান সংগ্রহ করে পরাজয় এড়িয়ে দলকে ড্রয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন ম্যান্ডিস-ম্যাথিউসরা।

নিউজিল্যান্ড সফরে চলমান ওয়েটলিং টেস্টের প্রথম ইনিংসে ২৮২ রানে অলআউট হাথুরুসিংহের শীষ্যরা। জবাবে টম লাথামের ডাবল সেঞ্চুরিতে ৫৭৮ রানের পাহাড় গড়ে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড।

২৯৬ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ফের ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে যায় শ্রীলংকা। স্কোরবোর্ডে ১৩ রান জমা করতেই ফেরেন গুনাথিলাকা, করুনারত্নে এবং ধনানজয়া ডি সিলভা।

১৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যাওয়া দলের হাল ধরেন ম্যাথিউস এবং কুশল মেন্ডিস। চতুর্থ উইকেটে ২৪৬ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েছেন তারা। আর এই পার্টনারশিপেই ক্যারিয়ারে ষষ্ঠ এবং নবম সেঞ্চুরি তুলে নেন মেন্ডিস ও ম্যাথিউস।

তাদের জোড়া সেঞ্চুরিতে চতুর্থ দিনের খেলা শেষে শ্রীলংকার সংগ্রহ ৩ উইকেটে ২৫৯ রান। এখনও ৩৭ রানে পিছিয়ে রয়েছে শ্রীলংকা। ১১৬ ও ১১৭ রানে অপরাজিত আছেন মেন্ডিস ও ম্যাথিউস।

অমৃতবাজার/ইকরামুল