ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮ | ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

জেসুসের হ্যাটট্রিকে ম্যানচেস্টার সিটির রেকর্ড জয়


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:৩২ পিএম, ০৮ নভেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার
জেসুসের হ্যাটট্রিকে ম্যানচেস্টার সিটির রেকর্ড জয়

ঘরের মাঠে শাখতার দোনেৎস্ককে বিপক্ষে গোল উৎসব করেছে পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা। ব্রাজিলীয় ফরোয়ার্ড গ্যাব্রিয়েল জেসুসের হ্যাটট্রিক ও ডেভিড সিলভাদের গোলে ৬-০ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটি। ইতিহাসে এর আগে এত ব্যবধানে কখনো জয় পায়নি ক্লাবটি।

বুধবার রাতে ইতিহাদ স্টেডিয়ামে খেলতে নেমে ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকে সিটি। ত্রয়োদশ মিনিটে দাভিদ সিলভার গোলে এগিয়ে যায় সিটি। ডান দিক থেকে মাহরেজের গোলমুখে বাড়ানো বল ঠিকানায় পাঠাতে একটা টোকারই দরকার ছিল। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এবারের মৌসুমে এটি নিজের তৃতীয় গোল এই স্প্যানিয়ার্ডের।

এরপর ম্যাচের ২৪তম মিনিটে স্পট কিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন গ্যাব্রিয়েল হেসুস। প্রথমার্ধে আরও কয়েকটি আক্রমণ করলেও গোলের দেখা পায়নি সিটি।

বিরতি থেকে ফিরে শুরুতেই আবার গোল আদায় করে নেয় ম্যান সিটি। ৪৯তম মিনিটে স্টার্লিংয়ের একক নৈপুণ্যে করা গোলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় স্বাগতিকরা। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে দুজনকে কাটিয়ে ডি বক্সের সামান্য বাইরে থেকে দারুণ গোল করেন ইংলিশ এই মিডফিল্ডার। ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকে তখনই কার্যত ম্যাচ শেষ হয়ে যায়।

ম্যাচের ৭২তম মিনিটে ডেভিড সিলভাকে ডি বক্সে ফাউল করে আবারও সিটিকে পেনাল্টি উপহার দেয় শাখতার ডিফেন্ডাররা। স্পট কিক থেকে ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে দলকে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন জেসুস। কিন্তু তখনও শেষ হয়নি গোলবন্যার। ম্যাচের ৮৪তম মিনিটে বাঁ দিক থেকে গিনদোয়ানের উঁচু করে বাড়ানো বল ধরে কোনাকুনি শটে দলের পঞ্চম গোলটি করেন আলজেরিয়ার মিডফিল্ডার মাহরেজ।

আর ইনজুরি টাইমে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড জেসুস। সতীর্থের বাড়ানো বল ধরে কিছুটা এগিয়ে অনেক দূর থেকে নেওয়া শটে আগুয়ান গোলরক্ষকের মাথার উপর দিয়ে লক্ষ্যে পাঠান ২১ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। ফলে ৬-০ গোলের জয়ই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ইতিহাসে ম্যান সিটির সবচেয়ে বড় ব্যবধানের জয়।

এ জয়ে চার ম্যাচে তিন জয়ে ৯ পয়েন্ট নিয়ে ‘এফ’ গ্রুপের শীর্ষে আছে ম্যানচেস্টার সিটি। ফরাসি ক্লাব লিওঁ ৬ পয়েন্ট নিয়ে আছে দ্বিতীয় স্থানে। ৩ পয়েন্ট নিয়ে তিনে আছে হফেনহাইম। আর শাখতারের পয়েন্ট ২।

অমৃতবাজার/সুজুন