ঢাকা, রোববার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ | ৯ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের ইতিহাস ও কিছু টুকটাক গল্প


হাসনাইন মো. আকিফ

প্রকাশিত: ০১:৪৯ পিএম, ১৭ জুলাই ২০১৭, সোমবার
জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের ইতিহাস ও কিছু টুকটাক গল্প

শ্রীলংকার সাথে সিরিজ জয়ের পর এদেশের ক্রিকেট সমর্থকদের জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে ক্রিকেট সম্পর্কিত বিভিন্ন গ্রুপে পোস্টের মাধ্যমে। এই জিম্বাবুয়ে বলতে আমরা বুঝি ধুঁকতে থাকা একটি দলকে যাদের একটা গৌরবময় অতীত ছিলো। অনেকের কাছেই জিম্বাবুয়ের বড় জয় মানে হ্যালির ধুমকেতু। তাই যারা জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটের ফ্যান তাদের জন্য জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এবং তাদের বিখ্যাত কিছু জয়ের স্মৃতি মনে করিয়ে দিতে চাই।

রোডেশিয়া, জিম্বাবুয়ের সাবেক নাম। ১৮০০-এর দশক থেকে ১৯৬৫ পর্যন্ত জিম্বাবুয়ে ব্রিটিশ উপনিবেশ দক্ষিণ রোডেশিয়া নামে পরিচিত ছিল। ১৯২৩ সালে রোডেশিয়া স্বায়ত্বশাষিত ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিলো। রোডেশিয়া ১৯০৩-০৪ সাল থেকেই নিজেদের বিভিন্ন শহরের ভেতর ক্রিকেট খেলতো। ১৯০৪-০৫ সাল থেকে রোডেশিয়া সাউথ আফ্রিকার কুরি কাপে অংশ নেয়া শুরু করে। এই টুর্নামেন্টে সাউথ আফ্রিকার বিভিন্ন প্রভিন্স (রাজ্য) এবং রোডেশিয়া অংশ নিতো। ১৯৩১-৩২ সালে রোডেশিয়া কুরি কাপে সাউথ আফ্রিকাকে তাক লাগিয়ে চ্যাম্পিয়ন হবার কাছাকাছি পৌছে যায়, ড্র ম্যাচে প্রথম ইনিংসে লিডের সুবাদে চ্যাম্পিয়ন হয় সাউথ আফ্রিকার ওয়েস্টার্ন প্রভিন্স। বিভিন্ন সময় ইংল্যান্ডের বিভিন্ন দল বা এমসিসি সাউথ আফ্রিকায় আসলে তারা রোডেশিয়ার সাথে কখনো কখনো ম্যাচ খেলতো। রোডেশিয়ার প্লেয়ারদের সাউথ আফ্রিকার হয়ে খেলার সুযোগ ছিলো। ১৯৩৫ সালে রোডেশিয়ার থেকে প্রথম টেস্ট ক্রিকেটার বের হয়, ডেনিস টমলিনসন, লেগ স্পিনিং অল রাউন্ডার সাউথ আফ্রিকার হয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেট খেলেন।

১৯৬৪-৭৩ সাল পর্যন্ত টেস্ট ক্রিকেট খেলা দেশগুলার বাইরে সবচেয়ে শক্তিশালী দল ছিলো রোডেশিয়া। এই সময় রোডেশিয়া থেকে সাউথ আফ্রিকা জাতীয় দলের হয়ে টেস্ট খেলেছেন এমনই কয়েকজন প্লেয়ার- পার্সি মানসেল, গডফ্রি লরেন্স, জো পার্ট্রিজ, দুইভাই টনি আর ডেভিড পিথেই।

তবে সবচেয়ে বড় তারকা ক্রিকেটার ছিলেন কলিন ব্লান্ড, যার টেস্ট গড় ছিলো ৪৯.৭৫। তবে সাউথ আফ্রিকা ক্রিকেট তাকে মনে রাখবে অন্যতম সেরা আউট ফিল্ডার হিসেবে। বলা হয় ফিল্ডিংকে একটা শিল্পে পরিনত করেছিলেন তিনি। আরো দুইজন পরিচিত ক্রিকেটার হচ্ছেন মাইক প্রক্টর (বর্তমানে ম্যাচ রেফারি) এবং ডানকান ফ্লেচার (ইংল্যান্ডের সাবেক কোচ)।

১৯৬৫ সালে সাদা-কালো বিভেদ চরমে উঠলে রোডেশিয়ার সংখ্যালঘু শ্বেতাঙ্গ সরকার ব্রিটিশ সরকারের অনুমতি ছাড়াই নিজেরা নিজেদের স্বাধীন ঘোষণা করে। এরপর ১৫ বছর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিষিদ্ধ ছিলো রোডেশিয়া। চলেছে সাদা কালো সিভিল ওয়ার। অনেক সাদা চামড়ার মানুষ সেখানে নিহত হয়, সাদা ক্রিকেটাররা পাড়ি জমান ইংল্যান্ডে। তাদের ভেতর অন্যতম গ্রায়েম হিক এবং রবিন জ্যাকম্যান।

১৯৮০ সালে কমনওয়েলথ দেশগুলার সমর্থন নিয়ে জিম্বাবুয়ে নাম নিয়ে পুনরায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফিরে আসে রোডেশিয়া অর্থাৎ জিম্বাবুয়ে।

১৯৮১ সালে আইসিসির সহযোগী দেশ হয়ে ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপে প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নামে জিম্বাবুয়ে। বিশ্বকে তাক লাগিয়ে প্রথম ম্যাচেই অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে আপসেট ঘটায় জিম্বাবুয়ে। এই সময়ে জিম্বাবুয়ের হয়ে কয়েকজন বিখ্যাত ক্রিকেটার খেলেছিলেন, যাদের ভেতর আছেন এন্ডি পাইক্রফট, ডেভ হটন, পিটার রসন এবং আলোচিত জন ট্রাইকোস।

জন ট্রাইকোস আলোচিত কারন তিনি একমাত্র মিশরীয় ক্রিকেটার যিনি শুধু টেস্ট ক্রিকেটই খেলেননি বরং দুটি দেশের হয়ে খেলেছেন। সাউথ আফ্রিকা এবং জিম্বাবুয়ে। যার প্রথম এবং দ্বিতীয় টেস্টের ভেতর ২২ বছর ২২২ দিনের বিরতি ছিলো।

জিম্বাবুয়ে টেস্ট স্ট্যাটাস পায় ১৯৯২ সালে। তৎকালীন নয়টি দেশের ভেতর একমাত্র বিরোধিতা করেছিলো ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ড কখনোই জিম্বাবুয়ের জন্মকে ভালোভাবে গ্রহন করেনি।

জিম্বাবুয়ে প্রথম টেস্ট খেলে ভারতের সাথে। প্রথম ইনিংসে জিম্বাবুয়ে ৪৫৬ রান করে এবং ভারতকে প্রায় ফলো অনে ফেলে দিয়েছিলো। শেষ পর্যন্ত ম্যাচটা ড্র হয়। জিম্বাবুয়ে এখন পর্যন্ত একমাত্র দল যারা প্রথম টেস্টে পরাজয় এড়িয়েছে (ইতিহাসের প্রথম টেস্টে ইংল্যান্ডের পরাজয় ব্যতিক্রম)।

জিম্বাবুয়ে প্রথম টেস্ট জয় পায় ১৯৯৫ সালে, পাকিস্তানকে ইনিংস এবং ৬৪ রানে হারিয়ে। হারারেতে প্রথম ইনিংসে গ্রান্ট ফ্লাওয়ারের ২০১ এবং এন্ডি ফ্লাওয়ারের ১৫৬ রানে জিম্বাবুয়ে অবিশ্বাস্য ৫৪৪ রান করে। জবাবে হিথ স্ট্রিকের ৯০/৬ বোলিং তোপে পাকিস্তান করে ৩২২ এবং ফলো অনে পড়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ১৫৮ রানে গুটিয়ে যায়। প্রথম টেস্ট জয় ১১ তম ম্যাচে।

১৯৯৮ সালে পুনরায় পাকিস্তানের সাথে পেশোয়ারে সিরিজের প্রথম টেস্ট জিতে নেয় সাত উইকেটে। পাকিস্তান ২৯৬ এবং ১০৩, জিম্বাবুয়ে ২৩৮ এবং ১৬৩/৩। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট ড্র হলে জিম্বাবুয়ে প্রথমবারের মতো সিরিজ জয় করে।

ভারতের সাথে প্রথম টেস্ট জয় ১৯৯৮ সালে। হারারেতে। জিম্বাবুয়ের ২২১ রানের জবাবে ভারত প্রথম ইনিংসে করে ২৮০ রান। জিম্বাবুয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে করে ২৯৩ রান। ২৩৫ রানের টার্গেট নিয়ে ভারত অল আউট হয় ১৭৩ রানে।

তবে জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট ইতিহাসের রূপকথা বলা যায় ইংল্যান্ডের প্রথম জিম্বাবুয়ে সফরকে। রাজনৈতিক কারনে ইংল্যান্ডের এই সফর বহুল আলোচিত। অনেকটা আন্তর্জাতিক চাপে জিম্বাবুয়ে সফরে গেলেও পুরা সিরিজে ইংল্যান্ড একের পর এক অভিযোগ দিয়ে বিশ্বের কাছে জিম্বাবুয়েকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে। কখনো খাবার ভালো না, কখনো হোটেলের মান ভালো না। ইংল্যান্ডের শর্ত ছিলো তারা কোন রাজনৈতিক বা বোর্ড অফিশিয়ালের সাথে হাত মেলাবে না, এমনকি পুরা সিরিজে তারা জিম্বাবুয়ের প্লেয়ারদের সাথেও ঠিকমতো কথা বলেনি। একদিন ম্যাচ চলাকালীন জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবে মাঠে এসে ইংল্যান্ড অধিনায়ক মাইক আথারটনের সাথে হাত মেলালে তিনি বাধ্য হয়ে হাত মেলান এবং পরে বলেন সেটি ছিলো সত্যিকারের "কালো দিন"। যেটা পরে বর্ণবাদ ইস্যুতে বহুল আলোচিত হয়।

জবাব মাঠেই দিয়েছিলো জিম্বাবুয়ে! প্রথম টেস্টে অবিশ্বাস্যভাবে ইংল্যান্ডকে জয় বঞ্চিত করে। জিম্বাবুয়ে প্রথম ইনিংসে এন্ডি ফ্লাওয়ারের ১১২ রানে ভর করে ৩৭৬ রান করে। জবাবে ইংল্যান্ড করে ৪০৬ রান। ৩০ রানে পিছিয়ে থাকা জিম্বাবুয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে করে ২৩৪ রান, ম্যাচের তখন পঞ্চম দিন। দিনের খেলা বাকি ৩৭ ওভার, ইংল্যান্ডের জয়ের জন্য দরকার ২০৫ রান। চা বিরতির সময় ইংল্যান্ড পাঁচ ওভারে ৩৬/১। শেষ সেশনে আলট্রা ডিফেন্সিভ মুডে চলে যায় জিম্বাবুয়ে, ওয়াইড বল করা শুরু করেন হিথ স্ট্রিক, তার দেখাদেখি অন্য বোলাররাও। এক সময় ইংল্যান্ডের দরকার ছিলো আট ওভারে ৫১ রান। ম্যাচের শেষ ওভারে ইংল্যান্ডের দরকার ১৩ রান, হাতে পাঁচ উইকেট। বল হাতে হিথ স্ট্রিক। ঘটনাবহুল ওভারের শেষ বলে ইংল্যান্ডের দরকার ৩ রান, স্ট্রাইকে নিক নাইট ৯৪ রানে ব্যাট করছে। নয়জন ফিল্ডার বাউন্ডারি লাইনে। স্ট্রিকের বলটা ড্রাইভ করে নিশ্চিত বাউন্ডারি ভেবে হালকা মেজাজে প্রান্ত বদল করতে থাকেন নাইট। অবিশ্বাস্য ভাবে বল বাউন্ডারি লাইনে গিয়ে থেমে যায়, বুঝতে পেরে তৃতীয় রান নেয়ার জন্য দৌড় দিয়ে রান আউট হন নাইট! ঠিক দুই রান নিতে পারলেন। ৩৭ ওভার (দিনের ৯০ তম ওভার) শেষে রান সমান ২০৪। পাঁচ উইকেট হাতে রেখেও জয় বঞ্চিত ইংল্যান্ড, ইতিহাসের প্রথম টেস্ট যেটা ড্র হলো টাই দিয়ে। অতিরিক্ত ওয়াইড বল করায় এই ম্যাচে জরিমানা হয় হিথ স্ট্রিকের। আর পুরা ইনিংসে মাত্র পাঁচটা বল ওয়াইড দেয়ায় তীব্র সমালোচনা হয় আম্পায়ারিং এর।
বুলাওয়েতে পরের ম্যাচ বৃষ্টির কারনে ড্র হবার ফলে সিরিজ ০-০ ড্র। এখানেও ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংসে ১৫৬ রানে অল আউট হয়, জিম্বাবুয়ে করে ২১৫। পরে ইংল্যান্ড ১৯৫/৩ এরপর আর খেলা হয়নি।
সফরের ওয়ানডে সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে ইংল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করে বসে!

প্রথম ওয়ানডেঃ ইংল্যান্ড ১৫২, জিম্বাবুয়ে ১৫৩/৮
দ্বিতীয় ওয়ানডেঃ জিম্বাবুয়ে ২০০, ইংল্যান্ড ১৭৯/৭
তৃতীয় ওয়ানডেঃ জিম্বাবুয়ে ২৪৯/৭, ইংল্যান্ড ১১৮
এর আগে ১৯৯২ বিশ্বকাপের ম্যাচেও ইংল্যান্ডকে হারায় জিম্বাবুয়ে। এখন পর্যন্ত দুই দলের খেলা ছয়টি ম্যাচের ভেতর পাঁচটা ম্যাচ জিতেছে জিম্বাবুয়ে।

১৯৯৬ সালের এই সিরিজের পর ইংল্যান্ড আর কখনোই জিম্বাবুয়ের মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলেনি। আর রাজনৈতিক কারনে ২০০৪ সাল থেকে দুই দেশের ভেতর বন্ধ রয়েছে দ্বিপাক্ষিক সব ধরনের খেলা।
এছাড়া আরো কিছু বিখ্যাত জয়ের ভেতর আছে

ভারতের সাথে ৩ রানের জয় (১৯৯৯ বিশ্বকাপ)- জিম্বাবুয়ের ২৫২ রানের জবাবে ভারত ২৪৬/৭ থেকে ২৪৯ রানে অল আউট হয়।
সাউথ আফ্রিকার সাথে ৪৮ রানের জয় (১৯৯৯ বিশ্বকাপ)-
জিম্বাবুয়ের ২৩৩ রানের জবাবে সাউথ আফ্রিকা ১২ ওভারে ৪০/৬ ছিলো। সেখান থেকে ১৮৫ রান করে অল আউট হয়।
নিউজিল্যান্ডের সাথে ১ উইকেটের জয় (২০০১ সাল)- নিউজিল্যান্ডের ২৭৩ রানের জবাবে জিম্বাবুয়ে ৬০/৫, সেখান থেকে এন্ডি ফ্লাওয়ারের ৮১ আর হিথ স্ট্রিকের ৭৬* (৬৭) রানে এক উইকেটের জয়ে সিরিজ জয় (২-১ ব্যবধানে)।
ভারতের সাথে ১ উইকেটের জয় (২০০২ সাল)- ভারতের ২৭৪ রানের জবাবে জিম্বাবুয়ে ২১০/৮, ৪৫ ওভারে। তখন উইকেটে আসেন ডগলাস মারিলিয়ার, ২৪ বলে অপরাজিত ৫৬ রানের এক ইনিংস খেলে এক উইকেটের জয় ছিনিয়ে আনেন। বলা হয় এই ম্যাচেই প্রথম স্কুপ শট খেলা হয়। ফাইন লেগ দিয়ে খেলা ওই "নতুন" শটের জবাব ভারতের কাছে ছিলোনা।
নিউজিল্যান্ডের ৩২৮ তাড়া করে অবিশ্বাস্য জয় (২০১১ সালে) ৩২৯ রানের জবাবে ৩০ ওভারে ১৮৩/৫ ছিলো জিম্বাবুয়ে। সেখান থেকে ম্যালকম ওয়ালারের ৯৯* রানে শেষ ওভারে ১ উইকেটের জয় পায় জিম্বাবুয়ে।
পাকিস্তানের সাথে ২৪ রানে টেস্ট জয় (২০১৩)- জিম্বাবুয়ে ২৯৪ এবং ১৯৯, পাকিস্তান ২৩০ এবং ২৩৯ (টার্গেট ২৬৪)।

এবং ৩১ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার সাথে ওয়ানডে জয় (২০১৪)-

ইংল্যান্ডের সাথে তাল মিলিয়ে ২০০৩ সালের পর জিম্বাবুয়ে সফরে যায়নি অস্ট্রেলিয়া। অবশেষে ২০১৪ সালে একটি ট্রাই নেশনের জন্য অস্ট্রেলিয়া জিম্বাবুয়ে যায়। অপর দল ছিলো সাউথ আফ্রিকা। সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে জিম্বাবুয়ের স্পিন তোপের মুখে পড়ে ২০৯ রানে অল আউট অস্ট্রেলিয়া। জবাবে ১০০/২ থেকে মুহুর্তের ভেতর ১০৬/৫, শেষ পর্যন্ত এলটন চিগুম্বুরার ৫২* আর প্রসপার উৎসেয়ার ৩০* রানে তিন উইকেটের জয় পায় জিম্বাবুয়ে। ১৯৮৩ সালের নিজেদের প্রথম ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর ৩১ বছর পর পুনরায় অস্ট্রেলিয়াকে হারায় জিম্বাবুয়ে।

অমৃতবাজার/আকিফ/মাসুদ

Loading...