ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ জুন ২০১৮ | ৭ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

শবে কদরের ফজিলত


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৪:৪৭ পিএম, ১২ জুন ২০১৮, মঙ্গলবার
শবে কদরের ফজিলত

শবে কদরের ইবাদত হাজার মাসের ইবাদতের চেয়ে উত্তম। এ রাতে অগণিত ফেরেশতাসহ হজরত জিবরাইল (আ.) দুনিয়ায় অবতীর্ণ হন এবং ফেরেশতারা দুনিয়ার সমস্ত অংশে ছড়িয়ে পড়েন। পবিত্র কোরআন ও হাদিস দ্বারা লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব প্রতিষ্ঠিত। তাছাড়া লাইলাতুল কদরের জন্য নবী করিম (সা:) গৃহীত কর্মতৎপরতা এ রাতের গুরুত্বকে আরো বহুলাংশে বাড়িয়ে দিয়েছে।

এ রাতের গুরুত্ব সম্পর্কে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘আমি একে (কোরআনকে) কদরের রাতে নাজিল করেছি। তুমি কি জান, কদরের রাত কী? কদরের রাত হাজার মাস থেকেও উত্তম-কল্যাণময়।’ -সূরা আল কদর :১-৩

এ রাতটি কোন মাসে? এ ব্যাপারে মহান আল্লাহ বলেন, ‘রমজান এমন মাস যাতে কোরআন নাজিল হয়েছে।’ -সূরা বাকারা :১৮৫

এ রাতটি রমজানের কোন তারিখে? হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) রহস্যময় কারণে তা সুনির্দিষ্ট করেননি। ইমাম বুখারি, ইমাম মুসলিম, ইমাম আহমদ ও ইমাম তিরমিজি (রহ.) কর্তৃক বর্ণিত হাদিসে বলা হয়েছে- হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেছেন, নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘কদরের রাতকে রমজানের শেষ দশ রাতের কোনো বিজোড় রাতে খোঁজ করো।’

হজরত আবু বকর (রা.) ও হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিস থেকেও এ একই ধরনের তথ্য পাওয়া যায়। অবশ্য অনেক বুজুর্গ নিজস্ব গবেষণা, গাণিতিক বিশ্লেষণ ইত্যাদির মাধ্যমে রমজানের ২৬ তারিখের রাতে শবে কদর হওয়ার উজ্জ্বল সম্ভাবনার কথা জোর দিয়ে বলেছেন।

এ রাতের গুরুত্ব বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হলো- এ রাতে কোরআন নাজিল হয়েছে। যে কোরআনের সঙ্গে মানুষের ভাগ্য জড়িত। অবশ্য কদর শব্দের আরেক অর্থ হলো ভাগ্য। সে হিসেবে লাইলাতুল কদরের অর্থ দাঁড়ায়- ভাগ্য রজনী।

অমৃতবাজার/সুজন