ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুলাই ২০১৮ | ৪ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

শয়তানের ছয়টি অনিষ্ট ও তার প্রতিকার


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:৩১ পিএম, ১৩ মার্চ ২০১৮, মঙ্গলবার | আপডেট: ১২:৩২ পিএম, ১৩ মার্চ ২০১৮, মঙ্গলবার
শয়তানের ছয়টি অনিষ্ট ও তার প্রতিকার

শয়তান আমাদের নানা ভাবে অনিষ্ট করার চেষ্টা করে, এর মধ্যে শয়তান ছয় ভাবে আমাদের বেশি অনিষ্ট করার চেষ্টা করে। সে ততক্ষণ পর্যন্ত এই চেষ্টায় লেগে থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত না মানুষকে এর মধ্যের কোন একটি বা একের অধিক ক্ষতিতে ফেলতে পারেঃ

১। শিরক এবং অবিশ্বাস বা কুফরের মধ্যে ফেলা।

২। মানুষকে বিদাআতে জড়িয়ে ফেলা।

৩। অতঃপর কবিরা গুনাহ বা বড় গুনাহে প্রলুব্ধ করা।

৪। তারপর সগিরা গুনাহ বা ছোট গুনাহে লিপ্ত করানো।

৫। নেক আমলের পরিবর্তে ‘মুবাহ’ আমলে ব্যস্ত রাখা। (যে কাজে গুনাহ বা সওয়াব কোনটিই হয় না এমন কাজকে মুবাহ বলে, যেমন খাওয়া, ঘুম ইত্যাদি)।

যদি উপরের কোন উপায়েই অনিষ্ট না করতে পারে তাহলে,

৬। অবশেষে অধিক সওয়াবের আমলের পরিবর্তে তুলামূলক কম সওয়াবের আমলে ব্যস্ত রাখা।

শয়তান হতে নিজেকে বাক্ষাকরা উপায়ঃ

১। শয়তানের অনিষ্ট হতে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া।

২। সুরা ফালাক ও সুরা নাস তেলাওয়াত করা।

৩। আয়াতুল কুরসি তেলাওয়াত করা।

৪। সুরা বাকারা তেলাওয়াত করা।

৫। সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত তেলাওয়াত করা।

৬। সুরা গাফির এর প্রথম তিন আয়াত তেলাওয়াত করা।

৭। “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াহদাহু, লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাইইন কাদীর” একশত বার পড়া।

অর্থ – আল্লাহ ছাড়া ইবাদতের যোগ্য কোন মাবুদ নেই, তিনি এক তাঁর কোন শরীক নেই, রাজত্ব তারই, প্রশংসা মাত্রই তাঁর, তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান।

৮। সর্বক্ষণ আল্লাহর জিকির করা।

৯। সব সময় ওজু বা পবিত্র থাকা এবং সালাত আদায় করা।

১০। দৃষ্টি সংযোত রাখা, প্রয়োজনের অতিরিক্ত কথা বলা, অতিরিক্ত খাওয়া ও অহেতুক লোকজনের সাথে মেলামেশা থেকে নিজেকে বিরত রাখা।

অমৃতবাজার/সবুজ