ঢাকা, শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ | ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

রাগ নয় ক্ষমায় সফলতা


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৩:২৪ পিএম, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, বৃহস্পতিবার
রাগ নয় ক্ষমায় সফলতা

দুনিয়াতে বহু অনিষ্টের কারণ হলো রাগ বা ক্রোধ। মানুষ এ রাগের বশবতী হয়ে অনেক নির্দয় ও অত্যাচারমূলক কাজ করে ফেলে। এ রাগের ফলে মানুষ সম্মানিত হওয়ার পরিবর্তে লজ্জা ও অবজ্ঞার শিকার হয়। তাই কারো দ্বারা কোনো ক্ষতি বা অন্যায়মূলক কাজ হয়ে গেলেও রাগ না করে ক্ষমা করা বা ধৈর্য ধারণ করা। কারণ রাগ নয় ক্ষমায় রয়েছে মুমিনের সাফল্য।

মুমিনের বৈশিষ্ট্য হলো রাগকে নিয়ন্ত্রণ করা। রাগ নিয়ন্ত্রণ করে ক্ষমা প্রদর্শনে রয়েছে ইসলামের অনেক নির্দেশনা।

আল্লাহ তাআলা মুত্তাকি লোকদের প্রশংসা করে বলেন, ‘যখন তারা রাগান্বিত হয় তখন তারা ক্ষমা করে দেয়। (সুরা শুরা : আয়াত ৩৭)

অন্য আয়াতে আল্লাহ তাআলা মুমিনের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেন বলেন, ‘যারা সচ্ছল ও অসচ্ছল উভয় অবস্থায় ব্যয় করে এবং যারা রাগ সংবরণকারী আর মানুষের প্রতি ক্ষমাশীল। আল্লাহ নেককারদেরকে ভালবাসেন। (সুরা আল-ইমরান : আয়াত ১৩৪)

রাগ সংবরণকারী ও ক্ষমাকারী ব্যক্তিরাই মুত্তাকি বা তাকওয়ার অধিকারী। এ সব লোকদেরকে আল্লাহ তাআলা নেয়ামত দান করেন। যা আগের আয়াতে আল্লাহ তাআলা উল্লেখ করেছেন, ‘‘তোমরা তোমাদের রবের ক্ষমা ও সেই জান্নাতের দিকে ধাবমান হও; যার প্রশস্ততা আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর ন্যায়। যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে মুত্তাকি তথা আল্লাহ ভিরুদের জন্য।’ (সুরা আল-ইমরান : আয়াত ১৩৩)

রাগের পরিবর্তে ক্ষমা করে দেয়াকে সফলতা বলার অন্যতম কারণ হলো, ‘স্বাভাবিক অবস্থায় কাউকে কোনো অন্যায় বা ভুলের জন্য ক্ষমা করে দেয়া সহজ ব্যাপার। কিন্তু রাগের সময় সামান্য বিষয়ে ক্ষমা করাও কঠিন। প্রিয়নবীর উপদেশ হলো এ কঠিন মুহূর্তেও নিজেকে সংবরণ করে ক্ষমা করা।

অমৃতবাজার/শাওন