ঢাকা, বুধবার, ২২ নভেম্বর ২০১৭ | ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

খুশী ও কষ্টের সময় আল্লাহর প্রশংসা করবেন যেভাবে


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১:১৭ পিএম, ১৩ নভেম্বর ২০১৭, সোমবার | আপডেট: ০১:১৯ পিএম, ১৩ নভেম্বর ২০১৭, সোমবার
খুশী ও কষ্টের সময় আল্লাহর প্রশংসা করবেন যেভাবে

মানুষকে বিভিন্নভাবে পরীক্ষা করার জন‌্য আল্লাহ তাআলা সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা, আরাম-ব্যারামসহ বিভিন্ন রোগ দিয়ে থাকেন। এসব অবস্থায় বান্দা আল্লাহ তাআলার ওপর কতটা নির্ভরশীল, তা পরীক্ষা করাই আল্লাহ তাআলা উদ্দেশ্য।খুশী ও কষ্ট উভয় সময়ে আল্লাহর প্রশংসা করাও ইবাদত। 

মানুষ খুশীর সময় বা অতিআনন্দে আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল হয়ে যায়। আবার যখন চরম দুঃখ কষ্টে পতিত হয় তখন কেউ কেউ আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করে আবার কেউ কেউ আল্লাহ তাআলার ওপর নাখোশ হয়। আল্লাহ তাআলাকে গাল-মন্দ করে। যার কোনোটিই ঠিক নয়।

মানুষের উচিত খুশী ও কষ্ট উভয় সময়ে আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় তথা প্রশংসা করা। যখনই মানুষ আল্লাহর প্রশংসায় লিপ্ত হয় তখন সুখী মানুষ আরো শান্তি ও সস্থিবোধ করে আর দুঃখী মানুষ সুখের সন্ধান পায় অথবা ধৈর্যধারণ করার রসদ খুঁজে পায়। যার বিনিময়ে রয়েছে দুনিয়া ও পরকালের অনেক ফায়েদা।

এ কারণে প্রিয়নবী (সা:) তার উম্মতকে খুশী ও কষ্টে শুকরিয়া বা আল্লাহর প্রশংসা আদায় করার পদ্ধতি শিখিয়েছেন। হাদিসে এসেছে-

হজরত আয়েশা (রা:) বর্ণনা করেন, প্রিয়নবী (সা:) খুশীর সময় বলতেন-

উচ্চারণ: ‘আল-হামদু লিল্লাহিল্লাজি বিনি’মাতিহি তাতিম্মুস সালিহাত’

অর্থ: সব প্রশংসা আল্লাহর জন্য যার অনুগ্রহে সব শুভকাজ সম্পন্ন হয়।’

আর কষ্টের সময় বলতেন-

উচ্চারণ: ‘আল-হামদু লিল্লাহিল্লাজি আলা কুল্লে হাল।’

অর্থ: সর্বাবস্থায় সব প্রশংসা আল্লাহ তাআলার জন্য।’ (ইবনে মাজাহ)

আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমের প্রথম সুরায় তার নিজের প্রশংসার মাধ্যমে বান্দাকে মাওলার প্রশংসা শিখিয়েছেন। যাতে মানুষ সুখ-দুঃখ সর্বাবস্থায় আল্লাহ তাআলা প্রশংসা করতে পারে।

অমৃতবাজার/শাওন

Loading...