ঢাকা, বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০১৯ | ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ঢাবির গণরুমে ছাত্রলীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষ


অমৃতবাজার রিপোর্ট

প্রকাশিত: ০৮:৫১ এএম, ০৬ নভেম্বর ২০১৯, বুধবার
ঢাবির গণরুমে ছাত্রলীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষ

নিচে পড়ে যাওয়া বেডশিটকে বিছানায় তোলা নিয়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলে গণরুমে হল শাখা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।


এ ঘটনায় দুইজন আহত হয়েছে। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের ২২৫ নম্বর কক্ষে এই ঘটনা ঘটে।

সূত্রের খবর, রুমটি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাসের অনুসারী ছাত্রলীগের দুইটি গ্রুপ নিয়ন্ত্রণ করেন।

জিয়া হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, সঞ্জিত চন্দ্র দাসের অনুসারী দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. মাজহার দুপুরে ক্লাসে যাওয়ার সময় আল নাহিয়ান খান জয়ের অনুসারী দ্বিতীয় বর্ষের অপূর্বের সিট থেকে একটা বেডশিট নিচে পড়ে গেলে মাজহারকে সেটি ওপরে তুলে রাখতে বলে অপূর্ব।

কিন্তু মাজহার সেটি ওপরে তুলে না রাখায় দু’জনের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মাজহারকে মারধর করে অপূর্ব।

ঘটনা শুনে মাজহারের গ্রুপের ছেলেরা এসে অপূর্বর কাছে কৈফিয়ত চায়। এ অপূর্ব ও তার সঙ্গীরা মাজহারের গ্রুপের ছেলেদের সঙ্গে বাক-বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে।

এক পর্যায়ে তা হাতাহাতি রূপ নেয়। এ হাতাহাতির ঘটনায় অপূর্ব ও সিয়াম নামে দ্বিতীয় বর্ষের আরেক শিক্ষার্থী আহত হয়। তারা দু’জনই আল নাহিয়ান খান জয়ের অনুসারী।

আহত অপূর্বকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ বিষয়ে মাজহারের অভিযোগ, অপূর্ব একটু ভিন্ন সুরে বেডশিটটি ওপরে তোলার কথা বলেছিল। পরে তাকে মারধর করার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার বন্ধুদের সঙ্গেও উগ্র আচরণ করে অপূর্ব।

মারধরকারী গ্রুপের নেতৃত্ব দেন সনজিত চন্দ্র দাসের অনুসারি আজহারুল ইসলাম মামুন ও আব্দুল্লাহ খান নাসের রানা। এর আগে বিভিন্ন অভিযোগে তাদের কক্ষ সিলগালা করে হল প্রশাসন। মারধরের শিকার হওয়া অপূর্বের বিরুদ্ধেও নীলক্ষেতে এক রিকশাচালককে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনার বিষয়ে ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তবে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অমৃতবাজার/ কেএসএস