ঢাকা, বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০১৯ | ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

সব প্রার্থীর সমান সুযোগ নিশ্চিত হয়নি: রিটা


অমৃতবাজার রিপোর্ট

প্রকাশিত: ০৩:৫২ পিএম, ০৫ অক্টোবর ২০১৯, শনিবার
সব প্রার্থীর সমান সুযোগ নিশ্চিত হয়নি: রিটা

 

রংপুর-৩ আসনে উপনির্বাচনে সব প্রার্থীর সমান সুযোগ নিশ্চিত হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির প্রার্থী রিটা রহমান।

শনিবার সকালে রংপুর নগরীর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনের সময় এ অভিযোগ তোলেন ধানের শীষের এই প্রার্থী।

রিটা সাংবাদিকদের বলেন, গতকাল রাতে সদর বিভিন্ন জায়গায় বিএনপি নেতাকর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে প্রশাসন। ভোটের বিভিন্ন সরঞ্জামাদি নিয়ে গেছে। ভোরবেলা আবার আমরা সেগুলো পাঠিয়েছি।

এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

নির্বাচন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে রিটা বলেন, আমরা দেশের অন্যতম বৃহৎ একটি দল। আমরা বারবার অনুরোধ করেছিলাম যে ভোটের মাঠ সুষ্ঠু রাখেন, নিরপেক্ষ আচরণ করেন। কিন্তু তারা পক্ষপাতিত্ব করছেন। ভোটের মাঠ সবার জন্য সমান করতে নির্বাচন কমিশন ব্যর্থ।

ভোটার উপস্থিতি নিয়ে বিএনপির প্রার্থী বলেন, নির্বাচন ও ইভিএম নিয়ে মানুষ আশাহত, তাই এই নির্বাচনে জনসম্পৃক্ততা নেই। মানুষ ভোট দিতে আসছেন না।

‘স্বাভাবিক পরিবেশ’ থাকলে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী ছিলেন বলেও জানান রিটা।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন রংপুর জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম মিজু প্রমুখ।

এরআগে শনিবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হয় এ ভোটগ্রহণ। চলবে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। এ আসনে ৪ লাখ ৪১ হাজার ২২৪ জন ভোটার ১৭৫টি কেন্দ্রে ইভিএমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

সাবেক রাষ্ট্রপতি মরহুম হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আসন হিসেবে পরিচিত রংপুর সদর এ আসনে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এই ৬ জনের ৪ জনই বহিরাগত। এই ৪ প্রার্থী আজ ভোট পর্যন্ত দিতে পারবেন না। এরা হলেন : জাতীয় পার্টির প্রার্থী রাহগির আল মাহি সাদ এরশাদ (লাঙ্গল), বিএনপির রিটা রহমান (ধানের শীষ), গণফ্রন্টের কাজী মো. শহীদুল্লাহ বায়েজিদ (মাছ) ও এনপিপির শফিউল আলম (আম)।

বাকি দুই প্রার্থী হচ্ছেন- হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ (মোটরগাড়ি) ও খেলাফত মজলিসের তৌহিদুর রহমান মণ্ডল (দেয়ালঘড়ি)।

১৭৫টি কেন্দ্রের ১ হাজার ২৩টি কক্ষে বিরতিহীনভাবে ভোট হবে। সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণের জন্য ১৭৫ জন প্রিসাইডিং অফিসার, ১ হাজার ২৩ জন সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার এবং ২ হাজার ৪৬ জন পোলিং অফিসারকে নিয়োজিত করা রয়েছে।

ভোটের আগের দিন থেকে ভোটের পরদিন পর্যন্ত নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সাড়ে ৩ হাজার আনসার-পুলিশ ছাড়াও ১৮ প্লাটুন বিজিবি, র‌্যাবের ২০টি মোবাইল টিম, ২০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ৪ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেয়া হয়েছে। গত ১৪ জুলাই জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের মৃত্যুর পর ১৬ জুলাই আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।

অমৃতবাজার/এএস