ঢাকা, সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০১৯ | ৬ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ডেঙ্গুর ব্যপার ব্যবস্থা নিতে সরকার পুরোপুরি ব্যার্থ: ফখরুল


ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

প্রকাশিত: ০৪:৩৩ পিএম, ১২ আগস্ট ২০১৯, সোমবার
ডেঙ্গুর ব্যপার ব্যবস্থা নিতে সরকার পুরোপুরি ব্যার্থ: ফখরুল

 

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশ বাসীকে ঈদুল আযাহার আগাম শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন,এবারের ঈদে মানুষ অনেক সমস্যার মধ্যে আছে,এক দিকে ডেঙ্গু আতংকে সারা দেশ আতংকিত হয়ে আছে। প্রায় ৮০ জনের  মত মানুষ মারা গেছেন ,হাজার হাজার মানুষ হাসপাতালে রয়েছে। ডেঙ্গুর ব্যপারে যথাযথ ব্যবস্থ্যা নিতে সরকার ও সিটি করর্পোরেশন ব্যর্থ হয়েছে

তিনি আরও বলেন, এই কারনেই ডেঙ্গু মহামারি আকার ধারণ করেছে। ডেঙ্গু পূর্বেও ছিল কিন্তু এবারের মাহামারি আকার ধারণ করার প্রধান কারণ সরকারের উদাসীনতা,সিটি করর্পোরেশনের উদাসীনতা এবং জাবাবদিহিতার অভাব। সরকারের মন্ত্রীরা যখন বলেন উন্নয়ন হচ্ছে তাই ডেঙ্গু হচ্ছে, মানুষের কষ্টের মধ্যে মশকরা করার কিছু থাকতে পাড়ে না। ডেঙ্গু যখন নিয়ন্ত্রনের  বাইরে চলে গেছে তখন তরা অসংলগ্ন কথা বার্তা বলছে।

এই ঈদ হচ্ছে ত্যাগের ঈদ। ত্যাগের মহিমায় উজ¦ল, আমরা এই দিনে পরম করুনা মায় আল্লাহ তালার কাছে এই দোয়া চাইব আল্লাহ তালা যেন জাতিকে দুরসহ অবস্থা থেকে মুক্তি দেন।

ঈদে ঘরে ফিরে আসা এতই কষ্ট কর এক দিকে রাস্তাগুলোর অবস্থা এতই খারাপ যে রস্তাগুলোতে গাড়ী এমনিই স্লো হয়ে যায়। ২৩-২৪ ঘন্টা লাগছে মানুষের ঘরে ফিরতে। অথচ আমাদের মন্ত্রী সাহেব বলছেন যানজট নেই কোথাও ।

মানুষের ভয়াবহ কষ্ট হচ্ছে। এটার মূল কারন হচ্ছে পরিকল্পনার অভাব। পরিবহন ব্যবস্থাকে সুশৃক্সখল অবস্থায় নিয়ে যেতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। এই সময় রাস্তায় চাঁদাবাজি এত বেড়ে যায় যে এমনিতেই স্লো হয়ে যায় গাড়ী গুলো। সব মিলেয়ে যে ভাবে পরিকল্পনা করা উচিৎ সেটা হয়না দেখেই এই আবস্থার সৃষ্টি হয়।

কাশ্মীরে কোটি কোটি মানুষ নির্যাতিত হচ্ছে। সমস্যা সমাধান না হওয়ার করনে তারা জাতি হিসেবে বিলিন হয়ে যাওযার উপক্রম হয়ে যাচ্ছে। উভয় পক্ষকেই এখন অত্যন্ত সমজত হওয়া উচিৎ এবং এমন কোন পদক্ষেপ নেয়া উচিৎ না যে পক্ষেপ ওই এলাকার মানুষের মধ্যে নির্যতন নিপিরন বয়ে আনবে একটা অস্থিশীল অবস্থা তৈরী করবে। এই ধরনের কোন পদক্ষেই কারও নেয়া উচিৎ না। আমরা এটাই চাইবো  সমজত থাকবে সকল পক্ষ এবং তারা কাশ্মীরের জণগনের যে স্বার্থ সেটাকে সামনে রেখেই সব চিন্তা করবে।

খালেদার মুক্তির ব্যাপারে তিনি বলেন দেশ নেত্রী খালেদা জিয়াকে সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে আটক করে রাখা হয়েছে। করানটাই হচ্ছে দেশ নেত্রী খালেদা এদেশের মানুষের কাছে সবচেয়ে জানপ্রিয় নেতা। এবং তিনি এদেশের মানুষের যে রাজনৈতি আশা আকাংখা তার প্রতিনিধিত্ব করে। তিনি বাইরে থাকলে আওয়ামীলীগ জণগনের কাছে ঠিক সেই ভাবে গ্রহণ যোগ্যতা পায় না। অন্যায় গুলোর প্রতিবাদ করেন তিনি এবং মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দুরবার আন্দোলন গড়ে তুলতে পাড়েন।

এই অবিজ্ঞতা তার আছে সেই করনেই তাকে  তারা আটক করে রেখেছে। আমারা মনে করি এটা বেআইনি এবং অনৈতিক অভিলম্বে দেশ নেত্রী খালেদাকে মুক্তি দেয়া উচিৎ এবং বিশেষ করে তিনি অত্যন্ত অসুস্থ্য। মানবিক কারনেও তো এ সমস্ত মামলাগুলোতে জামিন দেয়া হয়। দুর্ভাগ্যজনক ভাবে এ সরকার এত বেশী অমানবিক এবং এত বেশী বেআইনী কাজ কর্মে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে যে তার এই জিনিস টা লক্ষ্য করছে না। ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য তারা সমস্ত অনৈতিক কাজ গুলো করছে ।

তিনি রোববার সকালে ঠাকুরগাঁওয়ে কালিবাড়ীস্থ নিজ বাসবভনে সাংবাদিকদের এ কথা বেলেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন,জেলা বিএনপির সহ সভাপতি নূরে সাহাদাত স্বজন, সুলতানুল ফেদৌস নম্র, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক পয়গাম আলী, ঠাকুরগাঁও জেলা যুবদলের সভাপতি মহেবুল চৌধুরী আবু নুর, ঠাকুরগাঁও জেলা ছাত্র দলের সভাপতি মো. ইমরুল কায়েস প্রমুখ।

অমৃতবাজার/নবীন/এএস