ঢাকা, রোববার, ১৬ জুন ২০১৯ | ২ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

‘খালেদার কষ্ট লাঘবেই কেরানীগঞ্জে আদালত স্থাপন’


অমৃতবাজার রিপোর্ট

প্রকাশিত: ০২:৫৩ পিএম, ২২ মে ২০১৯, বুধবার | আপডেট: ০৪:২৪ পিএম, ২২ মে ২০১৯, বুধবার
‘খালেদার কষ্ট লাঘবেই কেরানীগঞ্জে আদালত স্থাপন’

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আইনি প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে আসামির সুবিধার বিষয়ে বিবেচনা করা হয়। যেহেতু খালেদা জিয়া অসুস্থ সেহেতু তিনি আদালতে আসা-যাওয়া করতে অক্ষম। তার কষ্ট লাঘব করার জন্যই কেরানীগঞ্জে আদালত স্থাপন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিএনপির তো খুশি হওয়ার কথা কারণ বেগম খালেদা জিয়াকে আদালতে আসা যাওয়া করতে হবে না। আসা-যাওয়া করলে তার কষ্ট হবে।

বুধবার দুপুরে ‘পিআইবি-এটুআই গণমাধ্যম পুরস্কার ২০১৮’ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী।

হাছান মাহমুদ বলেন, সরকার আইন অনুযায়ী, বিধান অনুযায়ী আদালত স্থাপন করতে পারে। সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে আদালতকে সহায়তা করা। কেরানীগঞ্জে আদালত আইন এবং বিধান অনুযায়ী স্থাপন করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বেগম জিয়ার অসুস্থতা পুরনো সমস্যা। এ সমস্যা নিয়েই তিনি দুইবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন, বিরোধীদলীয় নেত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বলেন, বিএনপির আন্দোলন করার মতো সামর্থ্য নাই। অন্যরা যখন আন্দোলন করে সেখানে তারা টাকা পয়সা দিয়ে সেটিকে বিভ্রান্ত করার জন্য চেষ্টা করে। এ ধরনের কার্যকলাপ আগেও বহুবার হয়েছে।

বিএনপি তার চরিত্র বদলাবে না। তারা সুযোগ পেলেই অনৈতিক কার্যকলাপ করবে। পেট্রোল বোমা মেরে মানুষকে পুড়িয়ে দেবে। ফোনালাপের মাধ্যমে তা প্রমাণিত হয়।

এর আগে, পিআইবি-এটুআই গণমাধ্যম পুরস্কার ২০১৮ অনুষ্ঠানে অংশ নেন তথ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে এ বছর ৭টি ক্যাটাগরিতে- টেলিভিশন, অনলাইন সংবাদপত্র, জাতীয় পত্রিকা ইংরেজি, জাতীয় পত্রিকা বাংলা, বেতার, আঞ্চলিক সংবাদপত্র, ফটোগ্রাফি পুরস্কার প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পিআইবি এর প্রয়াত মহাপরিচালক শাহ আলমগীরের স্মরণে এক দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানের সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল মালেক, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব এন এস আলম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিআইবি পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান আবেদ খান।

অমৃতবাজার/আরএইচ