ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭ | ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

বিস্তর সফলতা আর সম্ভাবনা জাগানিয়া দুই বছর


দারুস সালাম শাকিল

প্রকাশিত: ০৯:৫৭ পিএম, ২৭ জুলাই ২০১৭, বৃহস্পতিবার
বিস্তর সফলতা আর সম্ভাবনা জাগানিয়া দুই বছর

বলতে গেলে ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠার পর থেকে বাঙ্গালির যা কিছু মহান অর্জন, নি:সন্দেহে তার সবকিছুর গর্বিত অংশীদার বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। এ জাতির স্বার্থ রক্ষার আন্দোলন-সংগ্রামেই ছাত্রলীগের গৌরবময় ও ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে। যা অন্য কোন ছাত্র সংগঠনের নেই। সেই ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ২৮তম জাতীয় সম্মেলন হয়েছিল গত ২৫ এবং ২৬ জুলাই।

দুদিনব্যাপী সেই বিশালায়তনের বর্ণিল সম্মেলনের উদ্বোধন করেছিলেন ছাত্রলীগের একমাত্র অভিভাবক , বঙ্গবন্ধু কন্যা বিদ্যানন্দীনি শেখ হাসিনা। দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠিত হয় কাউন্সিল, যেখানে সারাদেশ থেকে আগত কাউন্সিলরদের দ্বারা সরাসরি স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোট প্রদানের মাধ্যমে পরবর্তী বছরগুলোর জন্য সংগঠনটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। আর এটা হয়েছে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ নির্দেশে এবং বিজ্ঞ নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে , দেশরত্ন এমনটি চেয়েছিলেন যাতে সত্যিকার অর্থেই সারা দেশের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের চিন্তা-চেতনার প্রতিফলন ঘটে।

গত দুই বছরে নির্বাচিত সভাপতি - সম্পাদক তাদের উপর রাখা আস্থার জবাবে কতটা বাস্তবিক প্রতিফলন ঘটাতে পেরেছেন তার মূল্যায়ন করবে সময়, তার মূল্যায়ন করবেন দেশরত্ন শেখ হাসিনা। তবে সংগঠনের কাজে সারাদেশে ঘুরে বেড়িয়েছি, দায়িত্বের বাইরে ফ্রি টাইমে অফ দ্যা রেকর্ডে কথা বলেছি তৃনমূল নেতাকর্মীদের সাথে, ২০১৫ সালে ২৬ তারিখে মতামত প্রদান করা কাউন্সিলরদের সাথে, যারা ভোট দেননি তাদের সাথেও, আমাদের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ যারা বিভিন্ন জেলায় সফর করেছেন কথা বলেছি তাদের সাথে, কথা বলেছি সাবেক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীদের সাথে ।

তাদের বেশিরভাগের মন্তব্য ছিল এরকম যে - `দেশরত্ন শেখ হাসিনার সেদিনার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল না,কাউন্সিলরদের সেদিনের মতামত ভুল ছিলনা `। আসলে এত্তগুলু মানুষ কি ভুলের উপর একমত হতে পারে? সত্যিই পারেনা। ২৬ জুলাই ১৫ সালে সন্ধ্যায় ফলাফল ঘোষণার ঠিক পরপর সারা সম্মেলন কেন্দ্রের লাখো ছাত্রসমাজ যখন স্বতঃস্ফূর্তভাবে এক সাথে আওয়াজ তুলেছিল -শেখ হাসিনার দুই বীর সোহাগ জাকির ঠিক তার পরদিন থেকে কাধে কাধ রেখে আপন মায়ের পেটের দুই ভাইয়ের মত বীরের বেশেই ছুটে বেরিয়েছেন সারা বাংলায়।

গ্রুপিংয়ের এবং ভাই ভিত্তিক রাজনীতির মূলে শাবলের আঘাত এনে গোটা ছাত্রলীগকে নিয়ে এসেছেন একটা ছাতার নীচে। আর সেই ছাতা হল দেশরতœ শেখ হাসিনার হাত সাদৃশ্য। তারা জেলায় জেলায় বাসে চড়ে, লঞ্চে বা নৌকায় করে কর্মীদের দ্ধারে দ্ধারে পৌঁছেছেন, মুখের কথা আর নিজেদের কাজের মাধ্যমে কর্মীদের বিলাস বিমুখ হতে শিখিয়েছেন।

বিভাগীয় পর্যায়ে, সম্ভব হলে জেলায় জেলায় বিভিন্ন সভা সেমিনারে প্রচন্ড গরমে, ক্ষুধার্ত অবস্থায়, ধৈর্যের সাথে তাদের অভিযোগ অনুযোগ শুনেছেন আর তাদের শুনিয়েছেন ছাত্রলীগের আত্মত্যাগ এর মন্ত্র, কোন কিছু গ্রহণ নয়, দান বা ত্যাগ ই হল এর ইতিহাস, নিজেরা আত্মত্যাগ করে দেখিয়েছেন, শিখিয়েছেন কিভাবে আত্মত্যাগ করতে হয় দেশ সেবার ব্রতে।

যেমনতর স্বাধিকার ও স্বাধীনতা সংগ্রামে ছাত্রলীগের হাজার হাজার নেতাকর্মী আত্মহুতি যুগ যুগ ধরে ইতিহাসে লিপিবদ্ধ হয়ে থাকবে অনাগত প্রজন্মের কাছে প্রেরণার উৎস হয়ে তেমনিভাবে পঁচাত্তর পরবর্তী সামরিক-বেসামরিক স্বৈরশাসকদের অত্যাচার-নির্যাতনে নিহত শত শত নেতাকর্মীর আত্মদানের কথাও জাতি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।

ঠিক একই ভাবে আত্মত্যাগের এ মিছিল এই ২০১৭ সালে এসেও লম্বা হয়েই চলেছে। আমাদের ভাইয়েরা ডিজিটাল দেশ গড়ায় জাতি গঠনে কাজ করতে গিয়ে, কখনোবা জঙ্গিবাদ দমন করতে গিয়ে অথবা নিরাপদ কর্মস্থল প্রতিষ্ঠায় হরতাল প্রতিরোধ , কিংবা সমাজ থেকে সন্ত্রাসবাদ নির্মূল বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নৈরাজ্য প্রতিহত করতে গিয়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, মহানগর, জেলা, কলেজে বিগত কয়েক বছরে আত্মদান করেছে আমার ছাত্রলীগের অগণিত ভাইয়েরা।

যার সর্বশেষ সংযোজন , কিছুদিন আগে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার শিববাড়িতে জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চলাকালে সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তায় এগিয়ে আসা সুরমা উপজেলা ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটির উপ পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ফাহিম। সারাদেশে অসংখ্য ছাত্রলীগ কর্মী আহত হয়েছেন, কেউ কেউ পঙ্গুত্ব নিয়েও মিছিলে আসতে দুইবার ভাবছেন না । পঙ্গু হাসপাতালে এক ক্যাম্পাসে সাম্প্রদায়িক শক্তির হামলায় গুরুতর আহত এক কর্মীকে দেখতে গিয়েছিলাম, ডাক্তার তাকে আরো বেশ কয়েকদিন বেড রেস্টের পরামর্শ দিয়েছেন, কিন্তু সে ক্যাম্পাসে এখনি চলে যাবে নেতাকর্মীদের মাঝে।

তার এমন মনোভাবের কারণ জানতে চাইলে বলেন ` আমার মত ক্ষুদে কর্মী কে সোহাগ ভাই জাকির ভাই দেখতে এসেছেন, তাদেরকে বর্ধিত সভায় টানা দুইদিন সকাল ৯ টা থেকে ভোর পর্যন্ত   প্রত্যহ এক নাগারে বসে থাকতে, কাজের জবাব নিতে, জবাব দিতে দেখেছি। আমরা কাহিল হয়ে বাইরে বেরিয়েছি, রেস্ট নিয়েছি, খেয়েছি, প্রোগ্রামে ঘুমিয়েছি। কই তারা তো এক সেকেন্ডের জন্য ঝিমায়ওনি। আমি তাদের মত বড় নেতা হতে পারবনা কিন্তু বড় মানসিকতার অধিকারী তো হতে পারি। যেদিন পারব সেদিন আমার শরীর কাজ না করলেও মন কাজ করবেই, আর মন শরীরকে কাজ করিয়েই নেবে। ঠিক যেমনটা সোহাগ ভাই, জাকির ভাইয়ের বেলায় ঘটে `।

যদিওবা আমাদের সংগঠনের গুটিকয়েক ব্যক্তি, অথবা আমাদের সহযোগী সংগঠন এর কেউ কেউ কখনো আবার বিরোধী পক্ষের অনেককে বলতে শুনেছি যে, ছাত্রলীগ তার আগের আদর্শিক যায়গা থেকে বিচ্যুত। আমি এ ব্যাপারে বলতে পছন্দ করি যে, ছাত্রলীগ আগের মতনই আছে, সমস্যা হল আপনার দৃষ্টিভঙ্গি চেঞ্জ হয়ে গেছে।

আসলে কি জানেন? তেতুলের স্বাদ ঠিকই আছে, আপনার জিহ্বা নষ্ট হয়ে গেছে, চিকিৎসা করান। গত দুই বছরে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ রাজপথে থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার বিষয়ে যেমন সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছে ঠিক তেমনি জাতীয় স্বার্থে কাজ করেছে।

সোহাগ ভাই - জাকির ভাই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভ্যাট প্রত্যাহারের যৌক্তিক আন্দোলনে যোগ দিয়ে , নেতৃত্ব দিয়ে একদিকে তাদের দাবি আদায়ে সহযোগিতা করেছে। অন্যদিকে তাদের দেখিয়েছে ভাংচুর না করে শান্তিপূর্ণভাবে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করে কিভাবে দাবি আদায় করতে হয়। যার ফলশ্রুতিতে রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ছাত্রছাত্রীদের জয়বাংলা স্লোগানে মূখরিত আজ।

বলতে পারবেন, কয়টা ক্যাম্পাস, কয়দিনের জন্য বন্ধ ছিল গত দুই বছরে? কয়েক দশকে সবচেয়ে কম হবে অনুপাত, নি:সন্দেহে। গত দুইবছরে ঢাবি ছাত্রলীগ ছাত্রদের মণিকোঠায় জায়গা করে নিয়েছে, ইতোমধ্যে ছাত্রদের বিভিন্ন অধিকার এবং দাবি দাওয়া নিয়ে কথা বলে সেগুলুর সমাধান করা সহ ক্যাম্পাসে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে বেশ কিছু পদক্ষেপ সর্বমহলে প্রশংসা কুড়িয়েছে এ যেন ঠিক ডাকসুর ভূমিকায়। দীর্ঘ স্মরণ কালের ইতিহাসে গত দুই বছরে ছাত্রলীগ প্রথমবার দেশের সর্বত্র নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করেছে, বর্তমানে কোন ক্যাম্পাসেই দেশ বিরোধী শক্তির ন্যূনপক্ষে আধিপত্য নেই।

রাবি ছাত্রলীগ সোহাগ ভাই জাকির ভাইয়ের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে জঙ্গিবাদ নির্মূল করেছে, বর্তমান সময়ে তাদের সমাজ সংস্কারমূলক কাজে দেশবাসী অভিভূত। বলতে গেলে সারাদেশের ১০১ টা ইউনিটের কথাই বলতে হয়, কোন জেলায় সাকো নির্মাণ করছে ছাত্রলীগ, তো পাশের জেলায় রাস্তা নির্মাণ।

একজেলায় ছাত্রলীগ ছিন্নমূল বাচ্চাদের অক্ষরজ্ঞান দিচ্ছে তো অন্য জেলায় বয়োবৃদ্ধদের স্বাক্ষরতা ঝালিয়ে নিচ্ছে আমার ভাইয়েরা। আমার নিজের জেলায় কেউ কোন বিপদে পড়লে আগে পুলিশের কাছে যায়না, আগে যায় ছাত্রলীগ এর কাছে, বিশ্বাস করুন এতে কোন ভয়ের লেশ দেখিনি আমি, যা দেখেছি তা ভালবাসা।

সোহাগ ভাই - জাকির ভাইয়ের নেতৃত্বে গ্রুপিং কমেছে ঠিকই, বেড়েছে প্রতিযোগিতা। এ প্রতিযোগিতা উন্নয়নের প্রতিযোগিতা  এটাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ছাত্রলীগ, এই ছাত্রলীগ ই দেশরতেœর সবচেয়ে বিশ্বস্ত ভ্যানগার্ড, এই ছাত্রলীগ সজীব ওয়াজেদ জয়ের কনসিলিয়রি। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উদ্যোগে আরেকটি প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে সারাদেশে, ছাত্রনেতাদের শেখ মুজিবুর রহমানের কারাগারের রোজনামচা বইটি পড়ার। পরিবেশ সুরক্ষায় কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলার সাবেক ছিটমহল দাশিয়ারছড়ায় ৫০ হাজারেরও বেশি বৃক্ষরোপণ করে যেমন সেখানকার ছাত্রলীগ রেখেছে অসামান্য অবদান।

আমরা এবারের বিশ্ব পরিবেশ দিবসে তেমনি ‘আমাদের সচেতনতাই সুরক্ষিত রাখবে আগামী প্রজন্মকে’ এই স্লোগানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালন করে সামাজিক বনায়ন গড়ে তুলেছেন সম্প্রতি বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী ও পার্শ্ববর্তী জেলা ছাত্রলীগ এটাই সম্ভবত সোহাগ ভাই জাকির ভাইয়ের প্রথম দিককার উদ্যোগ।

এত বিপুল বন্যার পরেও গত বছর এবং এবছরেও নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, কিশোরগঞ্জ, জামালপুর, বগুড়া, কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগের লাখো নেতৃবৃন্দ যেমন গাটের টাকা খরচ করেছে, তেমনি ব্যয় করেছে শ্রম আর ঘাম। কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে তারা কবলিত মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌঁছেছে। যে কারণে বৈদেশিক সাহায্য দূরে থাক, বড় রকমের দেশীয় সাহায্য ও চাওয়া লাগেনি।

আবার অসাধ্য সাধন করেছে পার্বত্য তিনজেলার ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা, আমাদের কেন্দ্রীয় নেতারা পাশে থেকে দেখে এসেছে কি রকম অমানবিক খাটুনী খেটে তারা ভুমিধ্বস পরবর্তী বিপর্যয় এড়িয়েছে। উপকূল অঞ্চলের জেলা সমূহের ছাত্রলীগ ইউনিট গুলার কার্যক্রম তো এই কয়েকদিন আগেই দেখলাম, কিভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল একযোগে ঘূর্ণিঝড় রেয়ানুর তান্ডবনৃত্য মোকাবেলায়।

বর্তমানে বিদেশ ছাত্রলীগ কালের সবচেয়ে ভাল পজিশনে আছে,সারাদিন কাজ করে লেখাপড়া সামলে তারা সোহাগ ভাই জাকির ভাইয়ের নেতৃত্বে, দেশ থেকে পালিয়ে যেয়ে বাধ্য হওয়া ছাগুদের দেশবিরোধী অপপ্রচারের সমুচিত জবাব হাকাচ্ছে বীরদর্পে। আসলে কি এই কমিটির বিগত দুই বছরের উন্নয়ন বিবরণ আমার দুই দিনে বা এক লেখায় তুলে আনা সম্ভব নয়। আরএটা ঠিক এখনো অল্প কিছু ক্যাম্পাসে মাঝেমধ্যে কিছু মারামারি ঘটে বৈকি, তবে সোহাগ ভাই - জাকির ভাই এ ব্যপারেও সেরা, গত দুই বছরে সবচেয়ে বেশি নেতাকর্মীকে শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য সাজা পেতে হয়েছে।

যার সবচেয়ে বড় দৃষ্টান্ত - ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক, শাবিপ্রবির সভাপতি, পটুয়াখালীর সদ্যবিদায়ি সভাপতি আরো অনেক বড় বড় ইউনিটের শীর্ষ নেতৃত্ব সহ কেন্দ্রীয় অনেক নেতা অব্দি এর সমাধানের ক্ষেত্রে টকশোর টকেটিভ , সুশীল নাগরিক এবং মিডিয়ারও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আপনারা শুধু ছাত্রলীগের খারাপ কাজগুলোকেই দূরবীন দিয়ে খুঁজে এনে জনসমক্ষে তুলে ধরবেন আর এর পরিপ্রেক্ষিতে যে সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগুলো নেয়া হয় তা তুলে ধরতে এত্ত অনীহা কেন?

ছাত্রলীগ কি শুধুই টেন্ডারবাজি করে, ভালো কাজ কিছুই করে না? এরকম এক হাজার কাজের ফিরিস্তি দিতে পারব কম হলেও। আর টেন্ডার তো এখন অনলাইন ভিত্তিক, তো টেন্ডারবাজি কেমনে করে আমার বোধগম্য নয়। সিলেটের রাজনের ব্যাপারে কি স্থানীয় ছাত্রলীগ ভূমিকা পালন করেনি? তাই আলোচনা করতে বলছিনা সমালোচনাই করুন,তবে তা যেন হয় গঠন মূলক।

সোহাগ- জাকিরের একার বা আমাদেরই নয়, আপনার সহ আমাদের সবারই দায়িত্ব রয়েছে ঐতিহ্যবাহী এই সংগঠনটিকে তার গৌরবের ধারায় ফিরিয়ে আনা। তাহলে দেশ ও জাতি উপকৃতই হবে।

লেখক: সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ

অমৃতবাজার/ইব্রাহিম

Loading...