ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯ | ১ শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

নবম ওয়েজবোর্ড শিগগিরই চূড়ান্ত করা হবে: কাদের


অমৃতবাজার রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১০:২২ পিএম, ১৬ জুন ২০১৯, রোববার | আপডেট: ১০:২৩ পিএম, ১৬ জুন ২০১৯, রোববার
নবম ওয়েজবোর্ড শিগগিরই চূড়ান্ত করা হবে: কাদের

 

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন শিগগিরই নবম ওয়েজবোর্ড চূড়ান্ত করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করে অবিলম্বে এটি কার্যকর করা হবে।

রবিবার (১৬ জুন) সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক যৌথ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। সরকার, সংবাদপত্র সংশ্লিষ্ট মালিক-সাংবাদিক ও শ্রমিকপক্ষকে নিয়ে এ বিষয়ে বৈঠক হয়।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমরা সবার কথা শুনেছি। মালিক প্রতিনিধি, শ্রমিক প্রতিনিধি এবং সাংবাদিক প্রতিনিধিদের সবার সর্বশেষ বক্তব্য শুনেছি। আজকের এই বৈঠকটি যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ওবায়দুল কাদের জানান, ‘আজকে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সবার সঙ্গে কথা বলা শেষ করেছি। এখন মন্ত্রিসভায় একবার আলাদাভাবে বসবো। এরপর সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসে বিষয়টি চূড়ান্ত করবো। আশা করি বেশি সময় লাগবে না। তবে বিষয়টি বেশিদিন ঝুলিয়েও রাখা যাবে না।’

ইলেকট্রনিক মিডিয়া বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ওয়েজবোর্ডটি হবে শুধুমাত্র সংবাদপত্রের সাংবাদিক, শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য। আইন মন্ত্রণালয়ের মতামতের জন্য অপেক্ষায় থাকা গণমাধ্যমকর্মী আইন চূড়ান্ত হলে ইলেকট্রনিক মিডিয়া বিশেষ করে বেসরকারি টেলিভিশন ও অনলাইন সাংবাদিক, শ্রমিক ও কর্মচারীদের বেতন কাঠামো তৈরি করা হবে।

ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী খালিদ হোসেন, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, তথ্য সচিব আব্দুল মালেক, মালিকদের সংগঠন নোয়াবের পক্ষে মতিউর রহমান চৌধুরী, এ কে আজাদ, অবজারভার সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, বিএফইউজে সভাপতি মোল্লা জালাল, মহাসচিব শাবান মাহমুদ, ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরীসহ সংবাদপত্র প্রেস শ্রমিক ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা।

অমৃতবাজার/এএস