ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৯ জুন ২০১৭ | ১৫ আষাঢ় ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

পহেলা বৈশাখকে স্বাগত জানাতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি


নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১:০৯ এএম, ১৩ এপ্রিল ২০১৭, বৃহস্পতিবার
পহেলা বৈশাখকে স্বাগত জানাতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

১৪২৩ সনকে বিদায় জানিয়ে বাংলা বর্ষপঞ্জিতে শুরু হবে নতুন বছর ১৪২৪। জীর্ণ-পুরাতনকে পেছনে ফেলে সম্ভাবনার নতুন বছরে প্রবেশ করবে বাঙালি জাতি। পহেলা বৈশাখে বর্ণিল উৎসবে মাতবে দেশ।

কৃষিকাজ ও খাজনা আদায়ের সুবিধার জন্য বাংলা সন গননার শুরু মোঘল সম্রাট আকবরের সময়ে। হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসন ভিত্তি করে প্রবর্তন হয় নতুন এই বাংলা সন।

১৫৫৬ সালে কার্যকর হওয়া বাংলা সন প্রথমদিকে পরিচিত ছিল ফসলি সন নামে, পরে তা পরিচিত হয় বঙ্গাব্দ নামে।

কৃষিভিত্তিক গ্রামীণ সমাজের সঙ্গে বাংলাবর্ষের ইতিহাস জড়িয়ে থাকলেও এর সঙ্গে রাজনৈতিক ইতিহাসেরও সংযোগ ঘটেছে।

পাকিস্তান শাসনামলে বাঙালি জাতীয়তাবাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয় বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের। আর ষাটের দশকের শেষে তা বিশেষ মাত্রা পায় রমনা বটমূলে ছায়ানটের আয়োজনের মাধ্যমে।

দেশ স্বাধীনের পর বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীকে পরিণত হয় বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। উৎসবের পাশাপাশি স্বৈরাচার-অপশক্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদও এসেছে পহেলা বৈশাখের আয়োজনে। ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে বের হয় প্রথম মঙ্গল শোভাযাত্রা।

নববর্ষ উদযাপন পরিণত হয়েছে বাংলাদেশের সার্বজনীন উৎসবে। পহেলা বৈশাখের ভোরে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর আয়োজনে মাতে সারাদেশ।

অমৃতবাজার/ইব্রাহিম

Loading...