ঢাকা, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ৬ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

নিজ নাগরিকদের ফিরিয়ে আনতে চীনে বিমান পাঠাচ্ছে জাপান,যুক্তরাষ্ট্র


অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৪:১৬ পিএম, ২৮ জানুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার
নিজ নাগরিকদের ফিরিয়ে আনতে চীনে বিমান পাঠাচ্ছে জাপান,যুক্তরাষ্ট্র ছবি: সংগৃহীত

দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস সংক্রমণ। ভাইরাসটিকে ঠেকাতে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছে চীন সরকার। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ১০৬ জন। এমন পরিস্থিতিতে ভাইরাসটির উৎপত্তিস্থল হুবেই প্রদেশের উহান থেকে নিজেদের নাগরিকদের দ্রুত নিজ মাতৃভূমিতে ফিরিয়ে আনতে চার্টার্ড বিমান পাঠাচ্ছে জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র। খবর এএফপি`র।

জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিটসু মোতেগি জানান, বর্তমানে উহানে ৬৫০ জন জাপানি নাগরিক রয়েছে। তাদের ফিরিয়ে আনতে মঙ্গলবার রাতে প্রথম ফ্লাইটটি পাঠানো হবে। এই ফ্লাইটে প্রায় দুইশ’ জন ফিরতে পারবে। বাকিদের বুধবারের মধ্যে ফিরিয়ে আনতে অতিরিক্ত ফ্লাইট আয়োজনের চেষ্টা চলছে।

মার্কিন নাগরিকদেরও ফিরিয়ে আনতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ফ্লাইট পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে ধারণা করা হচ্ছে ফ্লাইট পাঠাতে বুধবার পর্যন্ত সময় লেগে যাতে পারে। মার্কিন নাগরিকদের বলা হয়েছে, বিমানটিতে সীমিত সংখ্যক আসন রয়েছে।

এদিকে উহানে অবরুদ্ধ অবস্থায় শঙ্কার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বাংলাদেশের ৫০০ জন শিক্ষার্থী। গত ২৫ জানুয়ারি দেশে ফেরার আকুতি জানিয়ে ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তারা। পরে গতকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই ৫০০ জন শিক্ষার্থীকে দেশে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য, চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহান থেকে উৎপত্তি হওয়া এ ভাইরাস এরই মধ্যে রাজধানী বেইজিংসহ ২৯টি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এছাড়া জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম, তাইওয়ান, নেপাল, ফ্রান্স, সৌদি আরব, কানাডাসহ অন্তত ১৩টি দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সন্ধান মিলেছে।

এদিকে চীনের প্রাচীর দর্শন আপাতত বন্ধ ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। এর আগে ২০০৩ সালেও সার্স ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিপুল সংখ্যক লোক প্রাণ হারিয়েছিল চীনে। এবার করোনার থাবায় এরই মধ্যে প্রাণ গেছে ১০৬ জনের। চীন ছাড়াও থাইল্যান্ড, নেপাল, হংকং, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, জাপানসহ ১১টি দেশে ছড়িয়েছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। ফলে গোটা বিশ্বেই বিরাজ করছে প্রবল উদ্বেগ।

অমৃতবাজার/এসএইচএম