ঢাকা, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ১৬ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

করোনাভাইরাস: চিনে ১৭ জনের মৃত্যু, বাড়তি সতর্কতায় এয়ারলাইনস


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১:৪৯ পিএম, ২৩ জানুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার | আপডেট: ০১:৫০ পিএম, ২৩ জানুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার
করোনাভাইরাস: চিনে ১৭ জনের মৃত্যু, বাড়তি সতর্কতায় এয়ারলাইনস

 

 

চীনের রহস্যময় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশটির উহান শহরে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ভাইরাসটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ৫৪০-এর বেশি। এছাড়া ভাইরাসটি আরও প্রায় ৭টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ইতোমধ্যে। যা বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ ও শঙ্কার তৈরি করেছে।

বুধবার পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ছিল ৯ জন এবং ৪৪০ জন আক্রান্ত বলে জানা যায়। একদিনেই সরকারি হিসাবে আরও ৮ জনের মৃত্যু ও ১০০ জন এতে আক্রান্ত হলেন। চীনের এই ভাইরাস নিয়ে জরুরি বৈঠক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমিত এই ভাইরাসটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছে সংস্থাটি।

চীন ছাড়াও এখন পর্যন্ত তাইওয়ান, ফিলিপাইন্স, থাইল্যান্ড, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া গেছে৷ যুক্তরাষ্ট্রেও একজন আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে৷

চীনের উহান শহর থেকে ম্যাকাও যাওয়া একজন পর্যটকের দেহেও এই ভাইরাস পাওয়া গেছে।

এছাড়া অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে উহান থেকে ফেরা এক ব্যক্তিকে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে পরীক্ষা করা হয়। তবে তাঁর শরীরে এই ভাইরাস পাওয়া যায়নি।

চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের উপ-পরিচালক লি বিন বলেন, করোনা ভাইরাসের উৎস এবং এটি কীভাবে ছড়িয়ে পড়ে তা জানতে গবেষণার পরিধি বাড়ানো হচ্ছে৷

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণগুলো হলো জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্ট। সেভার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম (সার্স) ঘরানার এই ভাইরাস মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমিত হয়, যা থেকে নিউমোনিয়াও হতে পারে।

এদিকে, সপ্তাহান্তে চীনের নববর্ষকে ঘিরে বিদেশে থাকা অনেক চীনা নাগরিক দেশে ফিরছেন। তাঁরা যখন আবার ফিরে যাবেন তখন তাঁদের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এছাড়া চীনের ভেতরেও এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় মানুষের যাতায়াত বাড়ছে। তাই বিমানবন্দরসহ রেল ও বাস স্টেশনে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

২০০২ -২০০৩ সালে চীনে সার্স (সিভিয়ার একিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম) ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছিল। সেই সময় প্রায় ৮০০ জন মারা গিয়েছিলেন। করনো ভাইরাস নিয়েও সেরকম আশঙ্কা করা হচ্ছে।

অমৃতবাজার/এএস