ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ৬ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

পর্নো দেখতে গিয়ে ইন্টারনেটে মিললো স্ত্রীর পর্নো!, অতঃপর...


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৮:৫৭ এএম, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার
পর্নো দেখতে গিয়ে ইন্টারনেটে মিললো স্ত্রীর পর্নো!, অতঃপর...

স্ত্রী ডাক্তার। বয়স ৩২। স্বামী কাজ করতেন আইটি ফার্মে। নিজেদের রোজকার জীবনে বৈচিত্র আনতে ও দাম্পত্য সম্পর্ককে আরও গাঢ় করতে স্বামীকে পর্নোগ্রাফি দেখাতে শুরু করেন।

২০১৮ সালে একটি ম্যাট্রিমোনি সাইট থেকে আলাপ হয় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার ডাক্তার নারী ও তার উত্তরপ্রদেশের প্রযুক্তিবিদ স্বামীর। স্ত্রীর দেওয়া এই টিপস কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত নেন। তিনি এরপর শুরু করে পর্নোগ্রাফি দেখা।

কিন্তু যে বিষয়টি মখোমাখো প্রেম করার জন্য করতে এই প্ল্যান করেছিলেন চিকিত্‍সক নারী সেটা পুরোপুরি ভেস্তে যায়।

অনলাইনে বিভিন্ন পর্নো দেখতে দেখতে তিনি নিজের স্ত্রীর ভিডিওর সন্ধান পেয়ে যান। সেটাও একাধিক। পুরুষের সঙ্গে তার স্ত্রীর শরীরি খেলার ভিডিও দেখে স্বামী স্তম্ভিত হয়ে যান।

একের পর এক এ রকম ভিডিও দেখে ভদ্রলোক মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। কারণ বিয়ের আগে তার হবু স্ত্রী তাকে জানিয়েছিলেন একজনের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল কিন্তু বাকি কিছু জানাননি তিনি।

এরপর তিনি স্ত্রীর কথায় বিশ্বাস করে সম্পর্কটা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় ছিলেন। কিন্তু স্তম্ভিত হওয়ার তখনও বাকি ছিল। তিনি এরপর আরও একটি পর্নো ভিডিওতে অন্য এক পুরুষের সঙ্গে তার স্ত্রীর শারীরিক মিলনের ভিডিও দেখতে পান। এরপরেই চরম সিদ্ধান্তের পথে হাঁটেন তিনি।

এরপর তিনি স্ত্রীকে বিবাহ বিচ্ছেদের নোটিশ পাঠান। এতেই মানসিকভাবে ভেঙেন পড়েন ওই চিকিত্‍সক স্ত্রী।

বিভিন্ন কাউন্সিলিং সেন্টারের মতে এখন বিভিন্ন বিতর্কিত কেস আসছে যেখানে অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়া নির্ভরতা ডুবিয়ে দিচ্ছে এই প্রবণতাকে। সোশ্যাল মিডিয়া ও পর্নের বাড়বাড়ন্ত সমাজের জন্য ক্ষতিকারক হচ্ছে এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের।

অমৃতবাজার/আরইউ