ঢাকা, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২০ | ২৪ চৈত্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বিক্রি হবে `এয়ার ইন্ডিয়া`, বিলিয়ন ডলার দেনার দায়ভার ক্রেতার


অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৪:৩৪ পিএম, ২৭ জানুয়ারি ২০২০, সোমবার
বিক্রি হবে `এয়ার ইন্ডিয়া`, বিলিয়ন ডলার দেনার দায়ভার ক্রেতার লোকসানের ভারে আক্ষরিক অর্থেই মুখ থুবড়ে পড়েছে `এয়ার ইন্ডিয়া`। ছবি: সংগৃহীত

বিক্রি হতে যাচ্ছে ভারতের সবচেয়ে বড় বিমান সংস্থা `এয়ার ইন্ডিয়া`। দিনের পর দিন লোকসানের ভারে ধুঁকতে থাকায় বিমান সংস্থাটিকে বেসরকারিকরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। একইসঙ্গে সংস্থাটির সোয়া তিন বিলিয়ন ডলারের ঋণের দায়ভার ক্রেতাকেই নিতে হবে বলে জানিয়েছে তারা। সোমবার (২৭ জানুয়ারি) এই বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নয়াদিল্লী সরকার।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, `কৌশলগত পুনঃনির্মাণ` এর আওতায় এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের ১০০ শতাংশ এবং এয়ার ইন্ডিয়া স্যাটস (AISATS)-এর ৫০ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করে দেওয়া হবে।

এতে আরও জানানো হয়, এয়ার ইন্ডিয়া কেনার জন্যে প্রাথমিক আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৭ মার্চ। যারা এই বিমান সংস্থা কিনবে, তাদের এয়ার ইন্ডিয়ার ৩.২৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের দেনার দায়ও নিতে হবে বলে জানিয়েছে মোদী সরকার।

সম্প্রতি, এয়ার ইন্ডিয়ার সভাপতি ও কার্যকরী পরিচালক (সিএমডি) অশ্বিনী লোহানী বলেন যে সংস্থাটি বন্ধ হওয়ার বিষয়ে যে সব গুজব ঘুরে বেড়াচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি টুইট করেন, `এয়ার ইন্ডিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়া বা ওই বিমানসংস্থার সমস্ত কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়া সংক্রান্ত সব খবরই গুজব এবং পুরোপুরি ভিত্তিহীন। এয়ার ইন্ডিয়া নিজেদের পরিষেবা চালিয়ে যাবে । যাত্রী হোক বা কর্পোরেট বা এজেন্ট, কাউকেই এ বিষয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও দরকার নেই। এয়ার ইন্ডিয়া এখনও দেশের বৃহত্তম বিমান সংস্থা।`

এর আগে, কেন্দ্রীয় বেসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি একটি সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, এয়ার ইন্ডিয়া বিক্রির প্রক্রিয়া চলছে। বর্তমানে এই সংস্থার যা অবস্থা তাতে এর বেসরকারিকরণ ছাড়া আর কোনও বিকল্প নেই।

হরদীপ পুরী বলেন, `আয়করদাতাদের অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহার করা উচিত, এমন পরিস্থিতিতে সরকার কতক্ষণ এই সংস্থা চালিয়ে যেতে পারবে তা দেখার সময় এসেছে। কেন্দ্রীয় বিমান পরিবহণ মন্ত্রীর মতে, এয়ার ইন্ডিয়া একটি জাতীয় সম্পদ, এটি একটি বড় সংস্থা এবং এর সুরক্ষা রেকর্ডটিও খুব ভাল হয়েছে।`

অমৃতবাজার/এসএইচএম