ঢাকা, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২০ | ১৫ চৈত্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

জেএনইউ`র পর এবার বিশ্বভারতীতে হামলা, প্রশাসন নীরব


অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৪:০৭ পিএম, ১৭ জানুয়ারি ২০২০, শুক্রবার | আপডেট: ০৪:০৮ পিএম, ১৭ জানুয়ারি ২০২০, শুক্রবার
জেএনইউ`র পর এবার বিশ্বভারতীতে হামলা, প্রশাসন নীরব ছবি: সংগৃহীত

জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (জেএনইউ) পর এবার পশ্চিমবঙ্গের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়েও রাতের অন্ধকারে হামলা হয়েছে শিক্ষার্থীদের ওপর। মারপিটের শিকার শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, এসময় নীরব ভূমিকা পালন করেছ পুলিশ প্রশাসন। খবর এনডিটিভির।

গত বুধবার রাতে বিশ্বভারতীর হোস্টেলে ঢুকে ছাত্রদের ব্যাপক মারধর করে একদল সন্ত্রাসী। এ ঘটনায় অচিন্ত্য বাগদি ও সাবের আলি নামে দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আরেক অভিযুক্ত সুলভ কর্মকার এখনও পলাতক রয়েছে।

বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল চলছে। এ ইস্যুতে কিছুদিন আগে বিজেপির সংসদ সদস্য স্বপন দাশগুপ্ত একটি আলোচনা সভায় যোগ দিতে গেলে সেখানে তাকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ করে ছাত্ররা। এ ঘটনার শোধ নিতেই বুধবার রাতে হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনার বর্ণনায় বিশ্বভারতীর শিক্ষার্থীরা জানান, অচিন্ত্য ও সাবের বুধবার বিকেলে আন্দোলনকারী অংশুক মুখোপাধ্যায়কে খুঁজতে বিদ্যাভবন বয়েজ় হোস্টেলে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাকে না পেয়ে রুমমেটটকে শাসিয়ে চলে আসেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে অংশুকের খোঁজ নিতে হোস্টেলে যাচ্ছিলেন দেবব্রত নাথ, স্বপ্ননীল মুখোপাধ্যায়সহ তিন ছাত্র। যাওয়ার পথে তাদের পথ আটকান অচিন্ত্যরা।

তাদের সঙ্গে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে স্বপ্ননীলকে পেরেক লাগানো কাঠের বাটাম দিয়ে বেধড়ক মারধর করে সন্ত্রাসীরা। দেবব্রতের দাবি, অচিন্ত্যরা তাকে স্ট্যাম্প দিয়ে পিটিয়েছেন, সঙ্গে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজও করেছেন।

এমন পরিস্থিতিতে নিরাপত্তারক্ষীরা কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীরা। এছাড়া রাতে পুলিশকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তারা আসেনি বলে অভিযোগ ছাত্রদের।

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পুলিশ সুপার। তিনি বলেন, বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে লিখিত বা মৌখিকভাবে কিছু জানায়নি। তারা না চাইলে পুলিশ ক্যাম্পাসে ঢুকতে পারে না।

বিজেপির সংসদ সদস্য স্বপন দাশগুপ্ত বলেন, এটা ছাত্র-সংঘর্ষের বিচ্ছিন্ন একটা ঘটনামাত্র। দু’পক্ষই তৃণমূলের মতো। এরসঙ্গে এবিভিপি’র কোনো সম্পর্ক নেই।

অমৃতবাজার/এসএইচএম