ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ২ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

দাঁড়িপাল্লার এক দিকে মোদি, অন্য দিকে পদ্ম


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৫:১৬ পিএম, ০৮ জুন ২০১৯, শনিবার
দাঁড়িপাল্লার এক দিকে মোদি, অন্য দিকে পদ্ম

বিশাল আকারের দাড়িপাল্লার একদিকে নরেন্দ্র মোদি, অন্য দিকে কয়েকটি বস্তায় ভরা পদ্মফুল। এভাবেই দক্ষিণ ভারতের কেরালার এক মন্দিরে ওজন করা হলো ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীকে। যদিও পুরো বিষয়টিই একটি পুজোর অংশ।

শনিবার সকালে কেরালার গুরুভায়ুর মন্দিরে এভাবেই পুজো দিলেন নরেন্দ্র মোদি। সুগন্ধী ঘি, বিশাল বিশাল পদ্ম ফুল আর বিশেষ রকমের লাল রঙের কলা দিয়ে গুরুভায়ুর মন্দিরে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে ‘তুলাভরম’ সারেন মোদি।

প্রথা মেনে দাঁড়িপাল্লার এক দিকে কয়েক বস্তা পদ্মফুল, অন্য দিকে মোদিকে বসিয়ে তার ওজন মাপা হয় মন্দিরে। দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর প্রথম বিদেশ সফরের আগে মন্দিরে গিয়ে পুজো দিলেন মোদি।

দিল্লি থেকে প্রধানমন্ত্রী ত্রিচূড়ে পৌঁছন শুক্রবার রাতে। ওঠেন একটি সরকারি গেস্ট হাউসে। সকালে সেখান থেকে যান কোচি। পরে কোচি থেকে নৌবাহিনীর বিশেষ হেলিকপ্টারে এ দিন সকাল দশটার দিকে প্রধানমন্ত্রী মোদি পৌঁছন গুরুভায়ুর মন্দিরের কাছে শ্রীকৃষ্ণ কলেজ গ্রাউন্ডে।

গুরুভায়ুর কেরালার ৫ হাজারের বছরের পুরনো মন্দির। ২০০৮ সালে দ্বিতীয় বার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর গুরুভায়ুরের শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিলেন মোদি। একই দিন বিকেলে অন্ধ্রপ্রদেশ, তিরুমালায় ভেঙ্কটেশ্বরের মন্দিরেও পুজো দিতে যাওয়ার কথা রয়েছে তার।

তার পরেই মোদি রওনা হবেন মালদ্বীপ। দু’দিনের বিদেশ সফরে সেখান থেকে যাবেন শ্রীলঙ্কায়। টুইট করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি জানিয়েছেন, ‘সরকারের ‘প্রতিবেশীদের অগ্রাধিকার’ নীতিকে গুরুত্ব দিতেই এই বিদেশ সফর। যা আমাদের সামুদ্রিক প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্কটাকে আরও জোরদার করে তুলতে সাহায্য করবে।’

দ্বিতীয় বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তার প্রথম বিদেশ সফরে মালদ্বীপে গিয়ে সেখানকার পার্লামেন্টে ভাষণ দেবেন মোদি। দেখা করবেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম সালেহর সঙ্গে।

মলদ্বীপের উন্নয়নে অর্থ সাহায্য-সহ দু’দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি চুক্তি হওয়ার কথা মোদীর এ বারের সফরে। তিনি ও মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট সেখানে যৌথ ভাবে উদ্বোধন করবেন দু’টি প্রতিরক্ষা প্রকল্পের। মালদ্বীপ সরকারের সম্মান ‘অর্ডার অফ নিশানিজুদ্দিন’ দিয়েও সম্মানিত করা হবে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে।

অমৃতবাজার/পিকে