ঢাকা, রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯ | ১০ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

জাতীয় পরিচয়পত্র হারালে বা ভুল থাকলে কী করবেন?


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৪:০৩ পিএম, ১২ জুলাই ২০১৮, বৃহস্পতিবার
জাতীয় পরিচয়পত্র হারালে বা ভুল থাকলে কী করবেন?

অনেককেই জাতীয় পরিচয়পত্রের বিভিন্ন ভুলভ্রান্তি নিয়ে বা হারিয়ে গেলে ভোগান্তি পোহাতে হয়। আবার যারা নতুন পরিচয়পত্র করতে চান তারাও এ বিষয়ে অনেকে অজ্ঞ। কিভাবে করবো, কোথায় করবো, কি কি লাগবে ইত্যাদি বিষয় জানেন না। আসুন জেনে নেই জাতীয় পরিচয়পত্র হারালে বা ভুল থাকলে সংশোধনের জন্য কী করবেন।

জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে

জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে আপনার নিকটবর্তী থানায় ভোটার নম্বর বা আইডি নম্বর উল্লেখ করে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে হবে। এরপর জিডির মূল কপিসহ প্রকল্প কার্যালয় থেকে নেওয়া আবেদনপত্র নির্দিষ্ট কাউন্টারে জমা দিয়ে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র নিতে হবে। প্রাপ্তি স্বীকারপত্রে উল্লেখ করা তারিখে ডুপ্লিকেট পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়।

কিন্তু আপনি যদি দেখেন, নতুন করে পাওয়া পরিচয়পত্রে ভুল আছে, তখন কী করবেন? চলুন জেনে নিই, পরিচয়পত্রের ভুল সংশোধনে কী করতে হয়।

সংশোধনে করণীয়

এক কপি ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন এবং জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানে সহায়তা প্রদান প্রকল্পের পরিচালকের কাছে আবেদনপত্র লিখতে হবে। আর এই আবেদনপত্র পাওয়া যায় আগারগাঁওয়ের ইসলামিক ফাউন্ডেশন ভবনের নিচতলায়। সেখানে ফরম পূরণ করে জমা দেওয়ার পর একটি নির্দিষ্ট সময় দেওয়া হবে। ওই তারিখে রসিদসহ গিয়ে আপনাকে নিয়ে আসতে হবে জাতীয় পরিচয়পত্র।

নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র পেতে হলে

বাংলাদেশে কারো বয়স ১৮ বছর হলেই কেবল তিনি জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে ভোটার তালিকায় নাম ওঠাতে পারেন। দেশের প্রতিটি উপজেলা নির্বাচন কমিশন অফিসে গিয়ে এ-সংক্রান্ত আবেদন জমা দিতে হবে। সেখানে পরিচয়পত্র বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়। এ ছাড়া রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সপ্তম তলায় আবেদন করে তৈরি করে নিতে পারেন নিজের পরিচয়পত্র।

আপনার নতুন পরিচয়পত্র করতে হলে যা যা লাগবে

এসএসসি বা সমমানের সনদ, ২. নাগরিকত্ব সনদ, ৩. জন্মনিবন্ধন সনদ, ৪. চাকরির প্রমাণপত্র, ৫. পাসপোর্ট, ৬. নিকাহনামা, ৭. পিতা, স্বামী কিংবা মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি।

আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত এসব নথি অবশ্যই সত্যায়িত হতে হবে। এ ক্ষেত্রে উল্লেখ করা নথির মধ্যে যার যা ঘটেনি, তা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। যেমন, যার শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসির কম, তাকে এসএসসি বা সমমানের সনদের ফটোকপি জমা দিতে হবে না। আবার কেউ যদি চাকরি না করেন, তাকে চাকরির প্রমাণপত্র দিতে হবে না। যাঁদের পাসপোর্ট নেই, তাদের ক্ষেত্রে তা দেওয়ার দরকার নেই।

অমৃতবাজার/সুজন