ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুলাই ২০১৮ | ৩ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

গোপনে গুগলে তারা যা খোঁজে


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৩:৫৬ পিএম, ২৬ ডিসেম্বর ২০১৭, মঙ্গলবার | আপডেট: ০৫:৫২ পিএম, ০৬ জানুয়ারি ২০১৮, শনিবার
গোপনে গুগলে তারা যা খোঁজে

বর্তমান এই প্রযুক্তি নির্ভর যুগে মানুষের জীবন অনেকটাই সহজ করে দিয়েছে গুগল। সর্বজ্ঞানের ভাণ্ডার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোনো প্রশ্নের উত্তর পাচ্ছেন না, তখনই যদি আপনি  করেন তাহলে সেই প্রশ্নের উত্তর সঙ্গে সঙ্গে পাওয়া যায়। আবার এক্ষেত্রে এমন অনেক প্রশ্নই আছে যা সবাইকে জিজ্ঞাস করা যায় না কিংবা প্রয়োজন হয় না। তখন গুগলই হতে পারে সেরা বন্ধু।

তবে জানেন কি নারীরা গোপনে গুগলে কী বেশি সার্চ করেন? সম্প্রতি এক গবেষণায় সে তথ্যই উঠে এসেছে।

ফর্সা ত্বক পাব কীভাবে?

নারীরা প্রায়ই ত্বক ফর্সা করার জন্য প্রচুর পরিমাণে কসমেটিকস কেনেন। যেমন, পাউডার, ফাউন্ডেশন এবং আরো নানা ধরনের প্রসাধনী কেনেন। কিন্তু ত্বক ফর্সা হওয়ার জন্য স্বাস্থ্যকর জীবন যাপনই মূল চাবিকাঠি। এজন্য প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে, ফল ও জুস খেতে হবে, ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্যাভ্যাস মেনে চলতে হবে এবং শরীর চর্চা করতে হবে।

দেহের অবাঞ্ছিত লোম অপসারণে নিরাপদ উপায় কোনটি?

দেহের লোম অপসারণের আছে একাধিক উপায়। আপনি কোন উপায়টি ব্যবহার করবেন তা নির্ভর করছে আপনার ত্বকের ধরন এবং লোম গজানোর তীব্রতার ওপর। চোখের ভ্রুর জন্য থ্রেডিং এবং টোয়েকিং ভালো কাজ করে। হাত বা পায়ের জন্য ওয়াক্সিং সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি।

চুল কীভাবে দ্রুত গজানো যায়?

সারাদিন চুলের সঙ্গে নিষ্ঠুর সব আচরণ করে দিনশেষে এসে চুল কীভাবে দ্রুত গজানো সম্ভব তা নিয়ে গুগলে সার্চ করার কোনো মানে হয় না। চুল দ্রুত গজাতে চাইলে চুলকে ভালো যথেষ্ট পরিমাণে পুষ্টি সরবরাহ করতে হবে এবং প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে রক্ষা করতে হবে। আর চুল দ্রুত গজানোর কোনো পদ্ধতি ব্যবহার করার সময় আপনাকে ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে।

চোখের নিচের ফোলাভাব দূর করব কীভাবে?

শসা ও আলুর ফালি এবং আইস বা ঘুমের রুটিন বদলে আপনি আইব্যাগ বা চোখের ফোলাভাব থেকে মুক্ত হতে পারেন। তবে কর্কশ কিছু ব্যবহার করবেন না। কারণ তা আপনার চোখের দৃষ্টির ক্ষতি করতে পারে। আর তাতেও যদি আইব্যাগ দূর না হয় তাহলে একজন ত্বক বিশেষজ্ঞর সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

ট্যাটু কি ত্বকের জন্য ক্ষতিকর?

সবার জন্য যে ট্যাটু ক্ষতিকর এমন নয়। তবে যারা স্থায়ী ট্যাটু এঁকেছেন তাদের অনেকেই অভিযোগ করেছেন, এর ফলে তাদের ত্বকের সমস্যা বেড়েছে। অর্থাৎ ট্যাটুতে ঝুঁকি আছে। সুতরাং আপনি যদি পুরোপুরি নিরাপদ থাকতে চান তাহলে ট্যাটু না করানোই ভালো। আর যদি ট্যাটু করাতেই হয় তাহলে ভালো কোনো পার্লার এবং ভালো কোনো শিল্পীকে দিয়ে তা করান।
সূত্র: বোল্ডস্কাই

অমৃতবাজার/জয়