ঢাকা, রোববার, ২১ অক্টোবর ২০১৮ | ৬ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

যেভাবে ওজন কমিয়েছেন সেলেনা গোমেজ


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯:৪০ পিএম, ১০ জুন ২০১৮, রোববার
যেভাবে ওজন কমিয়েছেন সেলেনা গোমেজ

অতিরিক্ত মেদের কারণে প্রায়ই কটু কথা শুনতে হতো মার্কিন সঙ্গীতশিল্পী ও অভিনেত্রী সেলেনা গোমেজকে। ২০১৫ সালে মেক্সিকোতে ছুটি কাটাতে গিয়ে বিকিনি পরা কিছু ছবি তিনি শেয়ার করেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এরপরই শুরু হয় তুমুল সমালোচনা। তখনই সিদ্ধান্ত নেন সেলেনা, যেভাবেই হোক অতিরিক্ত মেদ ঝরাতেই হবে।

দেশে ফিরেই সাহায্য নেন হেলথ ও লাইফস্টাইল এক্সপার্ট এমি রোসফ ডেভিসের। তিনিই ঠিক করে দেন সেলেনা কী খাবেন, কখন শরীরচর্চা করবেন। এরপর সেলেনা প্রায় একবছর একটানা অনুসরণ করেন ডায়েট চার্ট। ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে মেদ। দেখে নিন কীভাবে তিনি কমিয়েছেন অতিরিক্ত ওজন।

ডায়েট চার্টে ছিল যেসব খাবার
প্রচুর পরিমাণে সবজি ছিল সেলেনার ডায়েট চার্টে। পালং, ব্রকলি, বাঁধাকপি, মটরশুঁটি, ফুলকপি, করলা, লাউ, মিষ্টি কুমড়া, আদা, রসুন, গাজর, বিটরুট, বেগুন টমেটোসহ বিভিন্ন সবজি খেতেন প্রায় প্রতিদিনই। এছাড়া তাজা ফল খেতেন নিয়মিত। আপেল, তরজুম, লেবু, কমলা, আম, আনারস, স্ট্রবেরি, ব্ল্যাকবেরি, কলা, চেরিসহ নানা ধরনের ফল খেতেন সারাদিন। স্ন্যাকস হিসেবে খেতেন বিভিন্ন ধরনের বাদাম।

ভারি খাবারের মধ্যে ওটমিল, বাদামি চালের ভাত, ময়দার রুটি ছিল। প্রোটিনের চাহিদা পূরণের জন্য মুরগির মাংস, মাশরুম, টুনা মাছ, ডাল, ছোলা, দই, দুধ, পনির খেতেন সেলেনা। প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে পানি রাখতেন খাবার তালিকায়। পাশাপাশি সবজি ও ফলের রস এবং নারকেলের পানি।
যেসব খাবার খেতেন না ভুলেও

চকলেট, চিপস, সল্টেড বাদাম, অতিরিক্ত অ্যালকোহল, পেস্ট্রি, পিৎজা, এনার্জি ড্রিংক, সোডা, বিস্কুট, সস, বোতলের জুস, প্যাকেট স্যুপ, ফ্রোজেন ফুড, চকলেট মিল্ক থেকে দূরে থাকতেন সবসময়।

শরীরচর্চা: প্রতিদিন শরীরচর্চা করতেই হবে, তবে সেটা যেন বিরক্তিকর না হয়ে যায়- এমন পরামর্শ দিয়েছিলেন এমি রোসফ ডেভিস। একারণে প্রতিদিনই নতুন নতুন ব্যায়াম করার চেষ্টা করতেন সেলেনা। ইয়োগা, মেডিটেশন, জগিং, জাম্পিং করতেন সপ্তাহে ছয়দিন।

জরুরি কিছু টিপস: ওজন কমানোর জন্য বেশকিছু জরুরি পরামর্শ দিয়েছেন এমি রোসফ ডেভিস। জেনে নিন সেগুলো।

১.শরীরচর্চার জন্য ভারোত্তোলন উচিত নয়। এটি নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে শরীরে।
২.কখনও ক্ষুধার্ত থাকা যাবে না। এটা বাড়বে অ্যাসিডিটি।
৩.প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে তরল খেতে হবে।
৪.এমন খাবার খেতে হবে যা অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেটে থাকবে।
৫.খাবারের সময়টা খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন একই সময়ে খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।
৫.নিয়মিত ঘুম জরুরি।
৬.নিজেকেও সময় দিতে হবে। পুষ্টিকর খাবার, সঠিক ব্যায়াম এবং নিজেকে ভালোবাসা- এটিই একটি আদর্শ জীবনযাপন পদ্ধতি।

তথ্য: স্টাইল ক্রেজ

অমৃতবাজার/শাওন