ঢাকা, শনিবার, ১৯ আগস্ট ২০১৭ | ৪ ভাদ্র ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

পুঁইশাকের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৮:৩৭ পিএম, ১১ আগস্ট ২০১৭, শুক্রবার | আপডেট: ০৮:৪৫ পিএম, ১১ আগস্ট ২০১৭, শুক্রবার
পুঁইশাকের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা

পুঁইশাক বেশ পুষ্টিকর ও সুস্বাদু। দেশজুড়ে পুঁইশাকের রয়েছে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা। সহজলভ্য বলে এই শাক কম-বেশি সবার কাছেই প্রিয়। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এর রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। প্রবাদে আছে-শাকের মধ্যে পুঁই, মাছের মধ্যে রুই। এ থেকেই বুঝা যায় ভোজনরসিকদের কাছে পুঁইশাক কতখানি পছন্দের। সবুজ ও লাল-এই দুই রঙের হয়ে থাকে পুঁইশাক। এই শাক নানাভাবে রান্না করে খাওয়া যায়। ভাজিও খাওয়া যায়। ইলিশ-পুঁই ও চিংড়ি-পুঁই অনেকের অতি প্রিয় তরকারি।
 
পুঁইশাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, দেহের বর্জ্য সুষ্ঠুভাবে বাইরে যেতে সাহায্য করে। এছাড়া পুঁইশাকে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন। তবে ভিটামিন ‘বি`, ‘সি` ও ‘এ`-এর পরিমাণই বেশি। পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে আছে ক্যালসিয়াম এবং আয়রণ। প্রতি ১০০ গ্রাম পুঁইশাকে অাঁশ আছে ২ দশমিক ৩ গ্রাম, খনিজ পদার্থ ১ দশমিক ৫ গ্রাম, শর্করা আছে ৪ দশমিক ২ গ্রাম, লৌহ ১১ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ১৬৫ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি ৬৫ মিলিগ্রাম, ভিটামিন-‘বি` ২৭ মিলিগ্রাম।

গবেষণা করে দেখা গেছে, যারা নিয়মিত শাক, বিশেষ করে আঁশশজাতীয় শাক, যেমন পুঁই বা মিষ্টিকুমড়ার শাক খায়, তাদের পাইলস, ফিস্টুলা ও হেমোরয়েড হওয়ার সম্ভাবনা থাকে খুবই কম। আর আঁশশজাতীয় খাবার পাকস্থলী ও কোলনের ক্যানসার প্রতিরোধ করে। গবেষণা করে দেখা গেছে, যারা নিয়মিত শাক, বিশেষ করে আঁশশজাতীয় শাক, যেমন পুঁই বা মিষ্টিকুমড়ার শাক খায়, তাদের পাইলস, ফিস্টুলা ও হেমোরয়েড হওয়ার সম্ভাবনা থাকে খুবই কম। আর আঁশশজাতীয় খাবার পাকস্থলী ও কোলনের ক্যানসার প্রতিরোধ করে।

অমৃতবাজার/মাহফুজ

Loading...