ঢাকা, সোমবার, ১৭ জুন ২০১৯ | ২ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ সম্পর্কে বিচিত্র কিছু তথ্য


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৬:২৭ পিএম, ০৭ জুন ২০১৯, শুক্রবার
অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ সম্পর্কে বিচিত্র কিছু তথ্য

সবচেয়ে শুকনো ও শীতল মহাদেশ বলা হয় অ্যান্টার্কটিকাকে। পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি বাতাসপ্রবণ এলাকা হিসেবেও চিহ্নিত করা হয় একে। সবচেয়ে শূন্য অঞ্চল হিসেবেও পরিচিত অ্যান্টার্কটিকা।

চলুন এই মহাদেশ সম্পর্কে বিচিত্র কিছু তথ্য জেনে নেওয়া যাক-

● পৃথিবীর সুপেয় পানি ৯০ ভাগই রয়েছে অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে।

● গ্রীষ্মকালে অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে সূর্য অস্ত যায় না।

● এই মহাদেশে কোনো জনবসতি নেই। তবে, মহাদেশজুড়ে বিভিন্ন স্টেশনে অনুসন্ধান কাজে নিয়োজিত অন্তত ১ হাজার মানুষ সব সময় অবস্থান করেন।

● এই মহাদেশের বরফ অঞ্চল থেকে মহাদেশে ‘ব্লাড ফল’ হয়। অর্থাৎ, বরফ থেকে এক ধরনের লাল তরল নিঃসারিত হয়। দেখলে মনে হয় যেন রক্ত বেরিয়ে আসছে।

● শীতল হলেও অ্যান্টার্কটিকাকেই পৃথিবীর সবেচেয়ে বড় মরুভূমি বলা যায়।

● বরফের দেশে ভাল্লুক থাকবে এটিই স্বাভাবিক। কিন্তু অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে কোনো তুষার ভল্লুক নেই।

● অ্যান্টার্কটিকা হলো একমাত্র মহাদেশ যেখানে কোনো পিঁপড়া নেই।

● যদিও কোনো জনবসতি নেই তবুও পুরো মহাদেশজুড়ে রয়েছে ৭টি খ্রিস্টধর্মীয় চার্চ।

● অ্যান্টার্কটিকার কিছু অংশ নিজেদের দাবি করতে ১৯৭৭ সালে আর্জেন্টিনা একজন গর্ভবতী নারীকে সেখানে সন্তান জন্ম দিতে পাঠান। ওই সন্তানই অ্যান্টার্কটিকায় জন্ম নেওয়া প্রথম মানব শিশু।

● অ্যান্টার্কটিকায় কোনো স্থলজ স্তন্যপায়ী প্রাণী নেই। তবে এখানে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ তিমি, পেঙ্গুইন ও সিল।

● অদ্ভুত লাগলেও অ্যান্টার্কটিকায় একটি এটিএম বুথও রয়েছে।

● অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে আইস ফিশ নামে বিচিত্র একটি মাছ রয়েছে, এর রক্ত লাল নয়, বরং স্বচ্ছ পানির মতো।

বরফে ঢাকা এই মহাদেশ সম্পর্কে এ তথ্যগুলো কি জানা ছিল আপনার?

অমৃতবাজার/পিকে