ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮ | ১ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

প্রসাধনী সামগ্রী হতে পারে বিপদের কারণ


অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৮:০৪ পিএম, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, শনিবার
প্রসাধনী সামগ্রী হতে পারে বিপদের কারণ

অফিস হোক কিংবা ডেটিং, নিজেকে আকর্ষণীয় করে তুলতে কে না চায়? আবার সামনেই পুজো আসছে। তাই তো নিজেকে সাজাতে আগ্রহী আট থেকে আশি সকলেই। সুন্দরী হয়ে উঠতে কত কী না ব্যবহার করি আমরা। কিন্তু জানেন কি সাম্প্রতিক গবেষণায় বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে প্রস্তুতকৃত প্রসাধনী সামগ্রীর ক্ষতিকর দিকের কথা উঠে এসেছে। রূপচর্চার ওই প্রসাধনী সামগ্রীতেই লুকিয়ে রয়েছে বিপদের বিষ। হরমোনের ভারসাম্যও নষ্ট হতে পারে আপনার।

বিশেষ করে অল্পবয়সি নারী বা তরুণীদের মাঝে হরমোন ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করছে বাজারে প্রচলিত প্রসাধনী সামগ্রী। গবেষকরা জানিয়েছেন, নারীরা পুরুষের তুলনায় বেশি প্রসাধনী ব্যবহার করেন। দৈনিক ভিত্তিতে পুরুষ সাধারণত ছয় ধরনের ব্যক্তিগত প্রসাধনী ব্যবহার করলেও নারীরা গড়ে ১২টি ব্যবহার করেন। এক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন তরুণীরা। রূপচর্চার জন্য নানা প্রসাধনী সামগ্রী ব্যবহার করেন এমন আঠারো থেকে চুয়াল্লিশ বছর বয়সীদের নিয়ে একটি সমীক্ষা করা হয়। কোনও ক্রনিক রোগ নেই, এমন ১৪৩ জন মহিলার মূত্রের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এমনকী, তাঁরা কী কী প্রসাধনী সামগ্রী ব্যবহার করেন তারও একটি তালিকা তৈরি করা হয়। এরপর সংগৃহীত মূত্রের পরীক্ষা করে দেখা যায়, ক্রমাগত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রসাধনী যাঁরা ব্যবহার করেন, তাঁদের মধ্যে হরমোনের ভারসাম্যহীনতায় নানা ধরনের ক্ষতি হয়েছে। গবেষকরা জানিয়েছেন, ক্ষতিকর প্রসাধনী সামগ্রী নারীদের শুধু হরমোনজনিত সমস্যাই সৃষ্টি করে না, এটি আরও নানা উপায়ে দেহের ক্ষতি করে। মস্তিষ্কের সমস্যা, ওজন বৃদ্ধি ও ক্যানসার কোষের বৃদ্ধির সমস্যাও তৈরি হতে পারে।

এক্ষেত্রে গবেষকদের পরামর্শ ক্ষতিকর রাসায়নিকযুক্ত প্রসাধনী সামগ্রীর ব্যবহার ছেড়ে প্রাকৃতিক উপাদানসমৃদ্ধ প্রসাধনী ব্যবহার করুন। কিছু প্রসাধনী সামগ্রীতে ‘অর্গ্যানিক’ লেবেল দেওয়া থাকে। এসব সামগ্রী ব্যবহার করলে এ ক্ষতিকর প্রবণতা কমানো সম্ভব বলেই দাবি গবেষকদের।

অমৃতবাজার/মিঠু