ঢাকা, শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ | ১ পৌষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

ঠোঁট গোলাপি রাখার কিছু সহজ উপায়


অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০:১৫ পিএম, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, বুধবার
ঠোঁট গোলাপি রাখার কিছু সহজ উপায়

অনেকের ঠোঁট বংশগত কারণেই কালচে হয়ে থাকে। তবে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি, ধূমপান, অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ ইত্যাদি কারণেও অনেক সময় ঠোঁটের রং কালচে হয়ে যায়। তাছাড়া নিয়ম করে যত্ন না নিলেও ঠোঁট কালো হয়ে যেতে পারে।

তবে ঠোঁটের কালচেভাব দূর করে, ঠোঁট গোলাপি রাখারও কিছু সহজ উপায় আছে। তাহলে জেনে নিন ঠোঁট গোলাপি রাখার সহজ কিছু উপায় সম্পর্কে।

• ঠোঁটকে উজ্জ্বল করতে ল্যাক্টিক অ্যাসিড খুব উপকারী। নিয়মিত দুধ খাবার সাথে সাথে খানিকটা দুধ তুলোয় করে ঠোঁটে ঘষে নিন। শুষ্ক চামড়াকে তুলে ফেলার মাধ্যমে দুধ ঠোঁটের কালো হওয়াকেও প্রতিরোধ করে।

• গোলাপের পাপড়িও ঠোঁটের গোলাপি ভাব আনতে সাহায্য করে। এজন্য গোলাপের পাপড়ি দুধের মধ্যে রেখে তাতে মধু ও গ্লিসারিন মিশিয়ে নিন। প্রলেপটি ১৫ মিনিট ঠোঁটে মাখুন। এরপর দুধ দিয়ে ঠোঁটকে মুছে নিন। প্রতিদিন এই প্রলেপটির ব্যবহার আপনার ঠোঁটকে করে তুলবে আকর্ষণীয়।

• লেবুর ভেতরের এসিড ঠোঁটের শুষ্ক চামড়াকে তুলে ফেলতে সাহায্য করে। তবে লেবুর রসের সাথে খানিকটা চিনি ও মধু মিশিয়ে ঘরে বসেই নিতে পারেন ঠোঁটের পুরোপুরি যত্ন। প্রলেপটি মাখার একঘণ্টা পর ধুয়ে নিন।

• লেবুর রসের সাথে খানিকটা গ্লিসারিন মিশিয়ে ঠোঁটে মাখুন। কয়েকদিনেই আপনি পাবেন চমৎকার ফলাফল।

• ঘুমানোর আগে ঠোঁটে পালং পাতা ঘষে নিন। সাথে রাখতে পারেন জাফরানও। এই দুটি সহজলভ্য উপাদানের নিয়মিত ব্যবহার আপনার শুষ্ক ঠোঁটকে সারিয়ে তুলবে এক নিমিষেই।

• একটি পাতলা লেবুর টুকরোর ওপরে খানিকটা চিনি ছিটিয়ে প্রতিদিন ঠোঁটে ঘষুন। চিনি ঠোঁটের মরা চামড়াগুলোকে পরিষ্কার করতে এবং লেবু সূর্যের রশ্মিতে কালো হয়ে যাওয়া ঠোঁটের চামড়াকে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।

• মধুর সঙ্গে চিনি এবং কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মিশিয়ে ১০ মিনিট ঠোঁটে ঘষুন।

• বাদামের তেল, মধু ও চিনির মিশ্রণ করুন। প্যাকটি আপনার ঠোঁটকে কেবল সুন্দরই করবে না কোমলতাও বাড়াবে।

• কমলালেবু খাবার সময় এর বীচিগুলোকে সংরক্ষণ করুন এবং নিয়মিত ঠোঁটকে এগুলোর দ্বারা পরিষ্কার করুন।

• প্রতিদিন টমেটো পেষ্ট করে ঠোঁটে মাখুন। আপনার ঠোঁট হবে উজ্জ্বল।

• শসার রসও ঠোঁটের কালো হওয়াকে প্রতিরোধ করে। ফলাফল পেতে প্রতিদিন অন্তত ৫ মিনিট শসার রস ঠোঁটে ঘষুন।

অমৃতবাজার/মিঠু