ঢাকা, বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮ | ৩০ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

১ হাজারেরও বেশি দোকানে কুকুরের মাংস!


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৫:৩৫ পিএম, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, বুধবার
১ হাজারেরও বেশি দোকানে কুকুরের মাংস!

কুকুরের মাংসের প্রতি ভিয়েতনামবাসীর আগ্রহ চিরায়ত। অন্য প্রাণীর চেয়েও কুকুরের মাংস তাদের ডিশে অধিক জনপ্রিয়। বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, শুধু দেশটির রাজধানী হ্যানয়েই অন্তত এক হাজারেও বেশি দোকানে কুকুরের মাংস পাওয়া যায়। তবে নাগরিকদের কুকুরের মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকতে আহ্বান করেছে ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয় কর্তৃপক্ষ। বুধবার এক নির্দেশনায় তারা জানায়, এতে শহরের ভাবমূর্তি নষ্ট হয় এবং জলাতঙ্কের মতো গুরুতর রোগ হবার আশঙ্কাও থাকে।

হ্যানয় পিপলস কমিটি জানায়, সভ্য ও আধুনিক রাজধানী হিসেবে হ্যানয়ের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে তুলতে আমাদের অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে। নগর কর্তৃপক্ষ আরো জানায়, এ খাদ্যাভ্যাসের কারণে জলাতঙ্ক ও ল্যাপ্টোসপাইরা ব্যাক্টেরিয়াজনিত রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা থাকে।

জানা যায়, হ্যানয়ে অন্তত এক হাজারও বেশি দোকানে এখনও কুকুর ও বিড়ালের মাংস বিক্রি হয়। কুকুরের পাশাপাশি বিড়ালের মাংস খাওয়া থেকেও নগরবাসীকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে পিপলস কমিটি। কুকুরের চেয়েও বিড়ালের মাংস কম জনপ্রিয় হলেও দোকানে এটি সহজেই মেলে। মূলত নিষ্ঠুরভাবে এসব প্রাণীদের মারা হয় বলে বিড়ালের ব্যাপারেও আপত্তি জানান তারা।

এক পরিসংখ্যান মতে, প্রায় ৪ লাখ ৯০ হাজার কুকুর ও বিড়ালের বাস হ্যানয়ে, যার অধিকাংশই পোষা ও গৃহপালিত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক মানুষ নগর কর্তৃপক্ষের এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। তবে সেখানেও এ নিয়ে তর্ক-বিতর্ক ও সমালোচনায় লিপ্ত হয়েছে অনেকে। এতেই বুঝা যাচ্ছে, ভিয়েতনামের মানুষ চাইলেও সহজে কুকুরের মাংস খাওয়া ছাড়তে পারবে না।

ড্যাং এনগোস কুয়াং নামের এক ফেসবুক ইউজার যুক্তি দেখান যে, এ খাদ্যটি পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা কোনভাবেই উচিৎ নয়। কারণ মানুষেরও খাদ্যাভ্যাসের স্বাধীনতা থাকা উচিৎ। তবে এক্ষেত্রে কুকুরের মাংসের ক্রয়-বিক্রয়ে উচ্চহারে ট্যাক্স বসানোর পরামর্শ দেন তিনি। সেইসাথে এর জন্য নির্দিষ্ট বিক্রয়কেন্দ্র নির্দিষ্ট করে দেয়ার কথাও বলেন তিনি। সূত্র: বিবিসি বাংলা

অমৃতবাজার/সুজন