ঢাকা, শনিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৮ | ৩ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

এলিয়েনের সঙ্গে সহবাস.. অত:পর সন্তান!


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯:৩৫ এএম, ২৬ এপ্রিল ২০১৮, বৃহস্পতিবার
এলিয়েনের সঙ্গে সহবাস.. অত:পর সন্তান!

এলিয়েনরা সন্তান জন্মদানের জন্য পৃথিবীর নারীদের গর্ভাশয় ব্যবহার করছে । পশ্চিমে একদল নারী আছেন যারা দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছেন। ভিনগ্রহের বুদ্ধিমান প্রাণী বা এলিয়েন পৃথিবীতে বংশ বিস্তার করছে। আর সেজন্য তারা দুনিয়ার নারী সম্প্রদায়কে গিনিপিগ বানাচ্ছে।

তাদের দাবি, সন্তান লাভের উদ্দেশ্যে এলিয়েন তাদের সঙ্গে যৌন সম্পর্কেও জড়িয়েছে। এর আগে অবশ্য এলিয়েন দ্বারা যৌন সম্পর্ক স্থাপনের বিষয়টি নারীরা উল্লেখ করতো না। উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে কৃত্রিম উপায়ে নারীদের গর্ভাশয়ে এলিয়েনের ভ্রূণ স্থাপন করা হতো বলেই জানা ছিল।

পশ্চিমের এমন দাবি করা নারীরা বলছেন, তাদের সদ্যজাত সন্তানেরা দূর মহাকাশ থেকে আসা ভিনগ্রহের উন্নত প্রাণী। এমন দাবি করা নারীরা ‘হাইব্রিড বেবি’ নামের একটি কমিউনিটি’ও তৈরি করেছে। তাদের বিশ্বাস এলিয়েনরা আগামীতে তাদের DNA’র কোড পরিবর্তন করে এমন শিশুদের জন্ম দিতে চায়, যাদের মধ্যে মানুষ ও এলিয়েনের মিশ্রিত স্বভাব থাকবে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মিরর এক প্রতিবেদনে জানায়, সম্প্রতি দুই মার্কিন নারীর এমন দাবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জোর আলোচনা চলছে। তাদের দাবি, এলিয়েনের ঔরসজাত সন্তানের মা হয়েছেন তারা।

এই প্রসঙ্গে ২৭ বছর বয়সের ব্রিজেট দাবি করেছেন, যে কোনো পুরুষের তুলনায় এলিয়েন নাকি চরম যৌনসুখ দিতে পারে। তার আফসোস বিশ্বের হাজার হাজার নারী নাকি এমন যৌনসুখ থেকে বঞ্চিত।

যুক্তরাষ্ট্রের আরিজোনায় বাবার সঙ্গে থাকা ব্রিজেটের দাবি, তার সঙ্গে এলিয়েনদের নিয়মিত যোগাযোগ আছে। এলিয়েনের ঔরসজাত ৪ ছেলে ও ৬ মেয়েও হয়েছে তার। মহাকাশযানে এলিয়েনের সঙ্গে সেই যৌনমিলনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে ব্রিজেট বলেন, ‘সেই অভিজ্ঞতা ছিল অবিশ্বাস্য।’

হাইব্রিড বেবি কমিউনিটির নারী সদস্যদের বয়স ১৯ থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত। এলিয়েন দ্বারা তারা ৮ থেকে ১০ টি করে সন্তান জন্ম দিয়েছেন। সন্তান জন্ম দিলেও তারা কিন্তু মায়ের কাছে থাকার সুযোগ পায় না। তাদেরকে এলিয়েন বাবারাই নিজেদের জিম্মায় রাখেন।অবশ্য অনেকের মতো তাদের এমন উদ্ভট দাবি পরিবারের সদস্যরাও মানতে চান না। কিন্তু  এলিয়েন দ্বারা তারা এতটাই মগ্ন যে পৃথিবীর কোনো পুরুষকেই তারা জীবন সঙ্গী হিসেবে বেঁচে নিতে রাজি নন।

অমৃতবাজার/জয়