ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট ২০১৮ | ১ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

‘ভ্যালেন্টাইনস ডের অজানা তথ্য


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ০২:৫৩ পিএম, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, মঙ্গলবার
‘ভ্যালেন্টাইনস ডের অজানা তথ্য

ফেব্রুয়ারি মাস ভালবাসার মাস। আগামীকাল আসছে ভালোবাসার এই দিনটি ৷ ফুল, কার্ড, চকোলেট আর নানা উপহারে মনের মানুষকে ভরিয়ে দেওয়ার দিন এটি। এই ভালোবাসার দিন নিয়েই রয়েছে বেশ চমৎকার কিছু অজানা তথ্য।

খাতায় কলমে কাজের দিন। কিন্তু বাস্তবে ভ্যালেন্টাইন ডে-তেই বিশ্বে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষ ছুটি কাটান। মার্কিন মুলুকে প্রায় ৯০ লাখ মানুষ তাদের পোষ্যের জন্য ভ্যালেন্টাইন উপহার কেনেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ১৫% মহিলা যে চকলেট এবং ফুল উপহার পান ভ্যালেন্টাইন’স ডে তে, তারা নিজেদেরকেই নিজেরা পাঠান৷ ভিক্টোরিয়ান টাইমসে এটা মনে করা হত যে, ভ্যালেন্টাইনস ডে কার্ড দুর্ভাগ্য বয়ে আনে৷

পরিসংখ্যানে দেখা গিয়েছে ৩ শতাংশ পশুপ্রেমী তাদের পোষ্যকে ভ্যালেন্টাইনস ডের উপহার দিয়ে থাকেন। রিচার্ড ক্যাডবেরি ১৮০০ সালে ভ্যালেন্টাইনস ডের দিনে প্রথম চকোলেট তৈরি করেছিলেন। সারা পৃথিবীতে এই দিনে ৩৫ মিলিয়নেরও বেশি হার্ট শেপ চকোলেট বিক্রি হয়।

৭৩ শতাংশ পুরুষ ভ্যালেন্টাইনস ডে-র দিন ফুল কেনেন, তার প্রেমিকার জন্য৷ সেখানে মেয়েদের সংখ্যাটা ২৭ শতাংশ। প্রত্যেক বছর এই দিনে গড়ে ২,২০,০০০ মানুষ বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে থাকেন। এখনও প্রত্যেক বছর ভ্যালেন্টাইনস ডের দিনে ইতালির শহর ভেরোনায় জুলিয়েটের নামে হাজারেরও বেশি চিঠি আসে।

মানুষের ধারণা ছিল যদি কোনো নারী এই দিনে উড়ন্ত রবিন পাখি যদি দেখেন তাহলে তার বিয়ে হবে একজন নাবিকের সঙ্গে। যদি চড়ুই পাখি দেখেন তাহলে একজন গরীব ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে হবে কিন্তু তিনি সুখী হবেন।

ষোলশ শতাব্দীতে সর্বপ্রথম ভ্যালেন্টাইন’স ডে এর জন্য হাতে বানানো কার্ড তৈরি হয়। এরপর ১৮০০ সালে ফ্যাক্টরিতে কার্ড বানানো চালু হয় যদিও কার্ডে রঙ করানো হতো ফ্যাক্টরি শ্রমিকদের দিয়ে।

অমৃতবাজার/জয়