ঢাকা, রোববার, ২২ এপ্রিল ২০১৮ | ৯ বৈশাখ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

শস্য বৈচিত্র্যকরণ পুষ্টিতে ইতিবাচক প্রভাব আনে: গবেষণা তথ্য


অমৃতবাজর ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৭:৩৭ পিএম, ১২ ডিসেম্বর ২০১৭, মঙ্গলবার | আপডেট: ০৭:৩৮ পিএম, ১২ ডিসেম্বর ২০১৭, মঙ্গলবার
শস্য বৈচিত্র্যকরণ পুষ্টিতে ইতিবাচক প্রভাব আনে: গবেষণা তথ্য

‘গ্রামীণ পর্যায়ে কৃষিতে শস্য ও খাদ্য বৈচিত্র্যকরণ পুষ্টির ওপর ইতিবাচক প্রভাব রাখতে সক্ষম।’ লেভারেজিং এগ্রিকালচার ফর নিউট্রিশন ইন সাউথ এশিয়া (লানসা) ও ব্র্যাক-এর যৌথ গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। লানসা-ব্র্যাক পরিচালিত দেশের ১১টি জেলার ৫০০ পরিবারের মধ্যে ২০১০-১১ থেকে ২০১৪-১৫ পর্যন্ত পরিচালিত একটি সমীক্ষায় দেখা যায়, জরিপভুক্ত পরিবারগুলোর মধ্যে কম ওজনের জনসংখ্যা ৪.৫ শতাংশ হারে হ্রাস পেয়েছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত ‘শস্যবৈচিত্র্য, খাদ্যবৈচিত্র্য এবং বাংলাদেশের গ্রামীণ পর্যায়ে পুষ্টির ওপর এর প্রভাব: নির্বাচিত খানার ওপর সমীক্ষা’ শীর্ষক এক গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপনায় এ তথ্য তুলে ধরা হয়।  লানসা ও ব্র্যাক যৌথভাবে এ সেমিনারের আয়োজন করে। এতে পৃষ্ঠপোষক ছিল যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা ইউকেএইড।

‘বাংলাদেশের পুষ্টি উন্নয়নে কৃষির ভূমিকা’ শীর্ষক এই সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কায়কোবাদ হোসেন।

মো. কায়কোবাদ হোসেন বলেন, ১৬ কোটি মানুষের দেশে সীমিত সম্পদ নিয়ে পুষ্টিসহ অন্যান্য সমস্যা মোকাবেলা করা বেশ কঠিন। তাই সরকার পুষ্টির চাহিদার বিষয়টি লক্ষ্য রেখে উপজেলা পর্যায়ে এখন ভিজিডি কর্মসূচির আওতায় দুস্থ ও অসহায় মানুষদের চালের পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার বিতরণের উপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি বলেন, শুধু চাল দিয়ে আমাদের প্রতিদিনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। কারণ এক্ষেত্রে আমাদের যেমন সীমিত জমিতে উৎপাদনের সমস্যা আছে, তেমনি ভিয়েতনামসহ বিভিন্ন দেশ থেকে চাল আমদানির ক্ষেত্রেও অনেক ধরনের সমস্যা আছে। তাই চালের ওপর চাপ কমাতে সরকার এখন নতুন জাতের শস্য ফলনে কৃষকদের উৎসাহিত করছে।

গবেষণায় উল্লেখ করা হয়, সমীক্ষাকায় কম-ওজনের পুরুষ জনসংখ্যা ৪.৪ শতাংশ হারে এবং নারী ৫.৩ শতাংশ হারে হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে স্বাভাবিক ওজনের জনসংখ্যা ২.৩ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে স্বাভাবিক ওজনের পুরুষ জনসংখ্যা ১.৯ শতাংশ হারে এবং নারী ২.৭ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।-বাসস

অমৃবাজার/শাওন