ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭ | ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

যে দেশের অর্ধেক মানুষ বিশ্বাস করে পরী আছে


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০:০২ এএম, ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭, বুধবার
যে দেশের অর্ধেক মানুষ বিশ্বাস করে পরী আছে

আইসল্যান্ডের অধিবাসীরা আগের চেয়ে অনেক বেশি ইউরোপের মূলধারায় মিশে যাওয়ার চেষ্টা করলেও তারা নিজেদের ঐতিহ্য, রীতিনীতি ও ভাষা এখনো ধরে রেখেছে। মজার বিষয় হলো, গ্রামীণ আইসল্যান্ডীয় অধিবাসীরা প্রাচীন নরওয়েজীয় পূরাণের নানা দৈত্য-দানব যেমন পরি, ট্রোল ইত্যাদির অস্তিত্বে বিশ্বাস করে।

আইসল্যান্ডের শতকরা ৫৪ ভাগ মানুষ মনে করে, সত্যিই পৃথিবীতে এলভস বা পরির অস্তিত্ব রয়েছে। কেউ কেউ নাকি দেখতেও পারে বিশেষ এই পরিদের। তাদের বর্ণনায়, এই পরিরা উচ্চতায় মোটামুটি তিন ফুটের মতো। পরের কান দুটি বেশ বড়সড়। আর তাদের পরনে থাকে বেশ প্রাচীন ফ্যাশনের কাপড়-চোপড়। তবে এই পরিরা ‘পয়েন্টি হ্যাট’ পরে না বলেও বেশ জোরালো বক্তব্য দেন তারা।

এই পরিদের নিয়ে সব থেকে বেশি কল্পকাহিনী রচিত হয় হাফনারফজরোয়ার নগরে। রাজধানী রেইকিয়াভিক থেকে অল্প দূরের এই নগরকে পরিদের রাজধানী বলেও আখ্যায়িত করে থাকেন কেউ কেউ। দেশটির অর্ধেকেরও বেশি মানুষের বিশ্বাস তাদের আশেপাশেই রয়েছে পরি।

আইসল্যান্ডীয় শিশুরা বিশ্বাস করে বড়দিনের তের দিন আগে থেকে ১৩ জন ইউলে ল্যাডস বিশেষ এক ধরনের ‘দেবদূত’ আসে তাদের কাছে। ১৩ দিনে ১৩ জন ভিন্ন ভিন্ন ইউরে ল্যাড। যারা শিশুদের সারা বছরের কাজকর্মের ওপর ভিত্তি করে তাদের জন্য উপহার কিংবা শাস্তি নিয়ে আসে। মূলত বড়দিনের এক ভিন্ন সংস্করণ বলা যেতে পারে আইসল্যান্ডের এই ইউলে ল্যাডস সংস্কৃতিতে।

শিশুদের বিশ্বাস, এই ‘দেবদূতরা’ নির্দিষ্ট একটা দিনে এসে আবার নির্দিষ্ট একটা দিনে ফিরে যায়। আর যারা ভালো তাদের কাছে ভালো দেবদূতরা আসে নানা উপহার নিয়ে। পরির অস্তিত্বে তারা এতোটাই বিশ্বাস করে যে, রাস্তার কোন জায়গায় পরি রয়েছে মনে হলে রাস্তার গতিপথই পাল্টে দেওয়া হয়।

অমৃতবাজার/জয়

Loading...