ঢাকা, রোববার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ১১ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

তৃণমূল থেকে উঠে এলেন তিন শিল্পী


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:১০ পিএম, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শুক্রবার
তৃণমূল থেকে উঠে এলেন তিন শিল্পী

আঞ্চলিক গানের প্রতিযোগিতমূলক আয়োজন ‘শেকড়ের খোঁজে ২০১৯’-এর বিজয়ী হয়েছেন চট্টগ্রামের সুজন। ৫ ফেব্রুয়ারি বিকেলে রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের বেগম সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে তার হাতে তুলে দেওয়া হয় ক্রেস্ট।

ই.বি. সল্যুশন্স লিমিটেড (ইবিএস) আয়োজিত ‘শেকড়ের খোঁজে ২০১৯’-এর গ্র্যান্ড ফিনালে আসরে বিচারকের আসনে ছিলেন গুণী সংগীতশিল্পী কিরণচন্দ্র রায় ও ফরিদা পারভীন। অসুস্থতার কারণে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেননি আরেক বিচারক বিশিষ্ঠ সংগীতশিল্পী সৈয়দ আবদুল হাদী। আসরে সেরা ৫ শিল্পী সরাসরি সংগীত পরিবেশন করেন। আগে পাওয়া দর্শকের ভোট ও মূল বিচারকদের দেওয়া নম্বর পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন চট্টগ্রামের সুজন। প্রথম রানার আপ ও দ্বিতীয় রানার আপ হয়েছেন যথাক্রমে রংপুরের জান্নাতুল ফেরদৌস লিসা ও ময়মনসিংহের হাসিবুর রহমান অনিক।

প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারী শিল্পীরা পাচ্ছেন যথাক্রমে ৫০ হাজার, ২০ হাজার, ১০ হাজার টাকার কন্ট্র্যাক্টসহ বাংলাঢোলের ব্যানারে গান প্রকাশের সুযোগ।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ই.বি. সল্যুশন্স লিমিটেডের (ইবিএস) অন্যতম পরিচালক ও বাংলাঢোলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এনামুল হক, প্রতিষ্ঠানটির সিওও খালেদুর রহমান দেওয়ান, ই.বি.এস ও বাংলাঢোলের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার আল আমিন রংপুরিয়ান।।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ইবিএসের পরিচালক রফিকুল আলম রিমন, গীতিকবি শহীদুল্লাহ ফরায়জী, কণ্ঠশিল্পী মহিউজ্জামান চৌধুরী ময়নাসহ আরো অনেকে। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন তানজিয়া আজমী বহ্নি।

গত বছর অক্টোবরে শুরু হয় ‘শেকড়ের খোঁজে ২০১৯’। এই প্রতিযোগিতায় প্রাথমিক পর্যায়ে বাংলালিংক লোকাল রেডিও ২২০০১-এ কল করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের গান রেকর্ড করে জমা দেন প্রায় ৫ হাজার প্রতিযোগী। সেখান থেকে প্রথম ধাপে বেছে নেওয়া হয় ১৮ জনকে। তাদের মধ্য থেকে সাধারণ শ্রোতাদের ভোটে নির্বাচন করা হয় সেরা ৯ জনকে। এরপর চূড়ান্ত পর্বে লড়াই করেন ৫ জন।

আয়োজকরা জানান, দেশের অঞ্চলভিত্তিক গানগুলোকে স্থানীয় শিল্পীদের মাধ্যমে জাতীয় অঙ্গনে তুলে ধরতে নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত হবে এই প্রতিযোগিতা।

অমৃতবাজার/আরইউ