ঢাকা, শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯ | ৮ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

জুলহাসের লেখা গল্পে ‘মাই ইমোশনাল গার্লফ্রেন্ড’


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০:৪৯ এএম, ১৫ জুলাই ২০১৯, সোমবার
জুলহাসের লেখা গল্পে ‘মাই ইমোশনাল গার্লফ্রেন্ড’

 

মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান জুলহাস নাট্য নির্মাণের পাশাপাশি এবার নাম লেখালেন গল্প তৈরীতে। গল্পের নাম ‘মাই ইমোশনাল গার্লফ্রেন্ড `। জুলহাস এর সংলাপ ও লিখেছেন। চিত্রনাট্য করেছেন রিজওয়ানুল ইসলাম সানজিদ। তিনিই নাটকটি পরিচালনা করেছেন।

নাটকটিতে অভিনয় করেছেন জোভান ও মুমতাহিনা টয়া। এরই মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন লোকেশনে এর দৃশ্য ধারণের কাজ শেষ হয়েছে বলে জানান নাট্যনির্মাতা জুলহাস। নাটকটি চিত্রগ্রহণে ছিলেন বি এম নাজমুল। আসছে কোরবানীর ঈদে দীপ্ত টিভিতে নাটকটি প্রচার হবে বলে জানান জুলহাস। জুলহাস এর আগে অনেক গল্প লিখেছেন। তবে এটাই তার লেখা গল্প নিয়ে প্রথম নাটক। এজন্য দারুণ উচ্ছসিত জুলহাস।

জুলহাস বলেন,‘ আমার লেখা কোন নাটকের চিত্রায়ণ হলো প্রথমবার। অনেক ভাল লাগা কাজ করছে। ধন্যবাদ সানজিদ ভাই, গল্পটা পছন্দ করার জন্য। ধন্যবাদ জোভান ভাই ও টয়া আপুকে আমার নাটকে অভিনয় করার জন্য। আমার যে কতোটা ভালো লাগছে তা সত্যিই ভাষায় প্রকাশের নয়। সবার কাছে দোয়া চাই যেন আরো ভালো ভালো গল্পের নাটক রচনা করতে পারি।’

জুলহাস আরো বলেন "মঞ্চ নাটকে কাজ করতাম ২০০২ থেকে, খুলনায়। ২০০৮ এ ঢাকায় আসি। উত্তরায় একটা নাটকের দলের সাথে কাজ শুরু করি। সেখানে পরিচয় হয় নবাব নাসির ভাই এর সাথে। তার সহকারী হিসেবে কাজের মাধ্যমেই টিভি নাটকে হাতেখড়ি"।

অনেকের সাথেই সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছি। তবে অনন্য ইমন ভাই এবং আবু হায়াত মাহমুদ ভাই এর সাথে সব চেয়ে বেশী কাজ করেছি। ইমন ভাই এর কাছ থেকে শুটিং এর যত খুটিনাটি আছে তা শিখেছি। হায়াত ভাই এর সাথে কাজ করে সে শেখাটা আরো সমৃদ্ধ হয়েছে। আর হায়াত ভাই এর সব চেয়ে বড় গুন হলো একটা সাধারণ গল্পকেও অসাধারণ ভাবে, ভিন্ন ভাবনায় উপস্থাপন করতে পারেন। তার সাথে কাজ করে এ বিষয়টি আমার চিন্তার জগতে দারুণ পরিবর্তন এনেছে।

উল্লেখ্য, নির্মাতা হিসেবে জুলহাস তৈরি করেছেন  "অত:পর বারেক" ও  "ছাতিম কাঠের কফিন" নামের দুইটি নাটক।

অমৃতবাজার/এএস