ঢাকা, রোববার, ২১ অক্টোবর ২০১৮ | ৬ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

যে রোমান্টিক মুভিগুলো মিস করা যাবে না


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৪:৪৩ পিএম, ২০ জুলাই ২০১৮, শুক্রবার
যে রোমান্টিক মুভিগুলো মিস করা যাবে না

হলিউড অসংখ্য রোমান্টিক মুভি উপহার দিয়েছে বিনোদনপ্রেমীদের। সেগুলোর মধ্যে অনেকগুলো এতটাই মন কেড়েছে দর্শকদের যে, সেগুলো না দেখলে চলচ্চিত্র দর্শক হিসেবে জীবনই ব্যর্থ। চলুন এক ঝলক দেখে আসি ছবিগুলোর নাম।

দ্য ইংলিশ পেশেন্ট
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় উত্তর আফ্রিকার একটি প্রেমকাহিনির উপর নির্ভর করে এই চলচ্চিত্রটি ১৯৯৭ সালে অস্কারে ১২টি ক্যাটাগরিতে মনোনয়ন পেয়েছিল।

নটিং হিল
জুলিয়া রবার্টস ও হিউগ গ্রান্টের এই ছবিটি একটি কালজয়ী প্রেমের ছবি।

বিফোর সানরাইজ/বিফোর সানসেট/বিফোর মিডনাইট
দেখা হলো ট্রেনে। কথা হলো। এক বেলাতেই প্রেম হয়ে গেল। চমৎকার এই ছবিটির একটি সিকুয়েলও আছে।

লাভ অ্যাকচুয়ালি
রোম্যান্টিক অভিনেতা হিউগ গ্রান্ট ও কলিন ফির্থের এই ছবিটি যেমন হাস্যরসে ভরপুর, তেমনি দর্শকদের কাঁদাতেও প্রস্তুত।

ইট হ্যাপেনড ওয়ান নাইট
১৯৩৪ সালের এই প্রেমের ছবিটিও যাঁরা দেখেননি, তাঁরা মিস করেছেন।

হোয়েন হ্যারি মেট স্যালি
ছেলে ও মেয়ে কখনো বন্ধু হতে পারে না। হ্যারি ও স্যালি দু’জনেই তা বিশ্বাস করেন। দুই নিউ ইয়র্কার যুগলের এই ছবিটি ব্যাপক দর্শকনন্দিত হয়েছে।

ঘোস্ট
অসম্ভব রোম্যান্টিক এই ছবিটিতে অভিনয় করেছেন ডেমি মুর ও প্যাট্রিক শোয়াইৎসে।

দ্য প্রপোজাল
বস তাঁর অ্যাসিস্টেন্টকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। এর ফলে তিনি তাঁর ভিসার মেয়াদ বাড়াতে পারবেন। বিনিময়ে অ্যাসিস্টেন্ট পাবে প্রমোশন। এভাবেই সাজানো হয়েছে এই ছবির প্লট।

অ্যান অফিসার অ্যান্ড এ জেন্টলম্যান
সুপারস্টার রিচার্ড গ্যেরের ছবি এটি। ছবিটি দেখার সময় চোখ মুছতে হাতে টিস্যু রাখতে হবে।

কাসাব্লাংকা
ওল্ড ইজ গোল্ড। ১৯৪২ সালের এই ছবিটিতে ইলসা ও রিক একটি আইকনিক যুগল।

ব্রোকব্যাক মাউন্টেন
অসাধারণ এই প্রেমের ছবিটি দু’জন কাউবয়ের। দুই পুরুষের মধ্যকার এই প্রেম এত চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, তা না দেখলে কেউ বিশ্বাস করবে না।

লাভ স্টোরি
ভালোবাসা মানে কখনো ‘সরি’ না বলা। যদি তা বিশ্বাস করেন, তাহলে এই ছবিটি দেখতে হবে।

লাইক ক্রেজি
প্রথম প্রেমকে কে ভুলতে পারে? তাই যদি হয়, তাহলে দেখুন লাইক ক্রেজি মুভিটি, যেখানে ভাগ্য এক যুগলকে আলাদা করে দেয়।

ব্রেকফাস্ট অ্যাট টিফানি’স
কমেডি, রোম্যান্স আর চমৎকার চিত্রায়নের জন্যই ছবিটি দেখা যায়। কিন্তু তার চেয়েও বড় কথা বলিউডের ইতিহাসের সবচেয়ে সুন্দরী ও অসাধারণ অভিনেত্রী অড্রে হেপবার্নের ছবি এটি। ধ্রুপদী এই চলচ্চিত্রটি যদি না দেখে থাকেন, তাহলে এখনই দেখে ফেলুন।

ব্লু ভ্যালেন্টাইন
বিয়ের পর অম্লমধুর সম্পর্ক নিয়ে সব বিবাহিত ব্যক্তিই উপন্যাস লিখে ফেলতে পারবেন। কিন্তু তা কতটা হৃদয় ছুঁতে পারে তা জানতে হলে দেখতে হবে রায়ান গোসলিং ও মিশেল উইলিয়ামসের এই ছবিটি।

দ্য ওয়ে উই ওয়ের
বারবারা স্ট্রাইসান্ড ও রবার্ট রেডফোর্ড অভিনীত ছবি এটি। আর কিছু বলার দরকার আছে?

বিউটি অ্যান্ড দ্য বিস্ট
এই গল্পের ওপর কয়েকটি ছবি নির্মিত হয়েছে। কিন্তু ১৯৯১ সালের ক্লাসিক্যাল অ্যানিমেশন ছবিটি আজও সমাদৃত।

দ্য বিগ সিক
আন্তঃসাংস্কৃতিক ভালোবাসা কী? দেখতে হলে এই ছবিটি দেখুন। একজন দক্ষিণ এশিয়ার যুবকের সঙ্গে এক পশ্চিমা নারীর প্রেমই শুধু মুখ্য নয় এখানে, উঠে এসেছে সাংস্কৃতিক ভিন্নতাগুলোও।

মাই বেস্ট ফ্রেন্ড’স ওয়েডিং
আবারো জুলিয়া রবার্টস। প্রেমের ছবিতে এত চমৎকার অভিনয় করেন কীভাবে তিনি? এই ছবিটিতে অনেক মজার টুইস্ট আছে।

লাইফ ইজ বিউটিফুল
পিতা-পুত্রের অনন্য সম্পর্ক নিয়ে এই ইটালিয়ান ছবিটি নির্মিত হয়েছে। রুমাল রাখতেই হবে সঙ্গে।

রোমান হলিডে
অড্রে হেপবার্ন আসবেনই ঘুরে ঘুরে। রোমান হলিডে সম্পর্কে একটাই কথা বলা যায়। দেখার বিকল্প নেই।

দ্য ফল্ট ইন আওয়ার স্টার্স
‘আ ওয়াক টু রিমেম্বার’ দেখে কি চোখে জল এসেছিল? তাহলে আপনার জন্য এই ছবিটি। টিনএজ ভালোবাসার এই ছবিটি আসলেই মর্মস্পর্শী।

গার্ডেন স্টেট
মিষ্টি প্রেমের এই ছবিটি শুধু গল্পের জন্য নয়, সাউন্ডট্র্যাকটিও অসাধারণ।

দ্য নোটবুক
রোম্যান্টিক ছবির নাম নেয়া হবে আর ‘দ্য নোটবুক’-এর নাম আসবে না তা হতেই পারে না। একই কথা এর বেলাতেও প্রযোজ্য। দেখতেই হবে এই চলচ্চিত্রটি।

অ্যাবাউট টাইম
এক যুবক আবিষ্কার করেন যে তিনি টাইম ট্রাভেল করতে পারেন। চমৎকার একটি ছবি।

ক্যারল
দুই নারীর মধ্যকার ভালোবাসা নির্ভর এই মেলোড্রামাটি ১৯৫০-এর প্রেক্ষাপটে তৈরি।

অ্যাটনমেন্ট
জেমস ম্যাকঅ্যাভয় ও কাইরা নাইটলি অভিনীত ছবিটি দৃশ্যগুলো থেকে চোখ ফেরানো কঠিন।

এটারনাল সানশাইন অফ দ্য স্পটলেস মাইন্ড
জিম ক্যারি ও কেট উইন্সলেট অভিনীত ২০০৪ সালে সাইন্স ফিকশন নির্ভর এই ছবিটির মূল বিষয় হলো এই যুগল তাদের প্রেমের সব স্মৃতি মুছে ফেলতে চান।

টাইটানিক
টাইটানিকের কথা না উল্লেখ করলেই নয়। জেসম ক্যামেরনের এই ছবিতে ডুবন্ত এক জাহাজে জ্যাক ও রোজের যে প্রেমের গল্প বলা হয়েছে, তা অকল্পনীয়।

লস্ট ইন ট্রান্সলেশন
সত্যিকারের যুগলদের মধ্যে কেমন একটা অপার্থিব যোগাযোগ থাকে। স্কারলেট জোহানসেন ও বিল মারের ক্ষেত্রেও তাই ঘটে এই ছবিতে, যখন তাদের দেখা হয় টোকিও-র একটি হোটেল বারে। ডিডাব্লিউ 

অমৃতবাজার/শাওন