ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২০ | ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

অ্যাডভান্সড ট্রিটমেন্টে খালেদা জিয়ার না


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ০২:২৬ পিএম, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার | আপডেট: ০৪:১৩ পিএম, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার
অ্যাডভান্সড ট্রিটমেন্টে খালেদা জিয়ার না

দুর্নীতির দুই মামলায় কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশের পরও `অ্যাডভান্সড ট্রিটমেন্ট`র জন্য সম্মতি দেননি। আদালতকে এই তথ্য জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত সদস্যের মেডিকেল বোর্ড।

ওই সদস্যরা জানান, আর্থ্রাইটিস ও ব্যাকপেইনের চিকিৎসার জন্য যেসব মেডিসিন পুশ করা দরকার তার জন্য খালেদা জিয়া অনুমতি দেননি।

আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে ওই প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, খন্দকার মাহবুব হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন প্রমুখ। সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট সগীর হোসেন লিওন, মো. মাসুদ রানা, ব্যারিস্টার একেএম এহসানুর রহমান প্রমুখ। আর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারোয়ার হোসেন বাপ্পী।

শুনানির আগে গত বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১১টায় সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবর খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যগত বিষয়ে সর্বশেষ প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন। এরপর জামিন আবেদন ও খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যগত অবস্থার সর্বশেষ প্রতিবেদনের ওপর বেলা ১১টায় শুনানি শুরু হয়। শুনানির শুরুতে আদালত মেডিক্যাল রিপোর্ট পড়ে শোনান। রিপোর্টে সাত সদস্যের বিশেষ মেডিক্যাল বোর্ড তাদের মতামত দিয়েছেন।

রিপোর্টে বলা হয়, খালেদা জিয়ার ডায়াবেটিস, হাইপার টেনশন, অ্যাজমা, ব্যাকপেইন, আর্থ্রাইটিস সমস্যা রয়েছে। তার ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কিন্তু আর্থ্রাইটিস ও ব্যাকপেইনের চিকিৎসার জন্য যেসব মেডিসিন পুশ করা দরকার, তার জন্য খালেদা জিয়া অনুমতি দেননি। এতে করে উন্নত চিকিৎসা নেওয়া যাচ্ছে না।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন আদালতকে বলেন, `আমাদের একটু আবেদন রয়েছে। তিনি (খালেদা জিয়া) কেন অনুমতি দেননি, তা জানা দরকার। আমরা খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে চাই। আমরা তার কাছে জানবো, কেন তিনি চিকিৎসা নিচ্ছেন না।`