ঢাকা, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৯ | ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ দুদকের বাছির কারাগারে


অমৃতবাজার রিপোর্ট

প্রকাশিত: ০৫:০৯ পিএম, ২৩ জুলাই ২০১৯, মঙ্গলবার
ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ দুদকের বাছির কারাগারে

 

অবৈধ তথ্য পাচার ও ডিআইজি মিজানের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির দেশ থেকে পালানোর চেষ্টা করছিলেন বলে জানিয়েছেন দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা।

মঙ্গলবার বাছিরকে আদালতে হাজির করে দুদকের পরিচালক তাকে জেলহাজতে প্রেরণের আবেদন করে এসব কথা উল্লেখ করেন।

আবেদনে দুদকের পরিচালক বলেন, মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত বিনষ্ট করার হীন চেষ্টাসহ সাক্ষীদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছিলেন বাছির। তাই তাকে জামিন দেওয়া হলে মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত বিনষ্ট করতে পারেন এবং তদন্তকাজে ব্যাঘাত ঘটাতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, অবৈধ পন্থায় অর্জিত ৪০ লাখ টাকা ঘুষ হিসেবে গ্রহণ করে ওই টাকার অবস্থান গোপন করে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় আসামি বছিরের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠনোর আবেদন জানাচ্ছি।

এদিকে সোমবার রাত সোয়া ১০টার দিকে রাজধানীর দারুস সালামের নিজ বাসভবন থেকে দুদকের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর বাছিরকে সারা রাত রমনা থানায় রাখা হয় বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, গত ২১ জুলাই পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখান ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ।

১৬ জুলাই দুদক পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা ঢাকার এক নম্বর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে ডিআইজি মিজানুর রহমান ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ ওঠার পর দুই প্রতিষ্ঠান থেকেই ডিআইজি মিজান ও এনামুল বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থেকে রেহাই পেতে দুদকের পরিচালক এনামুল বাছিরকে ৪০ লাখ টাক ঘুষ দিয়েছেন বলে গত মাসের শুরুতে অভিযোগ করেন ডিআইজি মিজান।

অভিযোগটি অস্বীকার করে বাছির দাবি করেন, তার কণ্ঠ নকল করে ডিআইজি মিজান কিছু ‘বানোয়াট’ রেকর্ড একটি টেলিভিশনকে সরবরাহ করেছেন।

অন্যদিকে, ২০১৮ সালে একটি জাতীয় দৈনিকে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে এক সংবাদ পাঠিকাকে জোর করে বিয়ে করার সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে।

অমৃতবাজার/এএস