ঢাকা, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯ | ১ শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বিএনপি নেতা এ্যানির মামলা ৬ মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ


অমৃতবাজার রিপোর্ট

প্রকাশিত: ০৪:২২ পিএম, ১৪ মে ২০১৯, মঙ্গলবার | আপডেট: ০৪:২৫ পিএম, ১৪ মে ২০১৯, মঙ্গলবার
বিএনপি নেতা এ্যানির মামলা ৬ মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ

বিএনপি নেতা শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন সংক্রান্ত মামলা বাতিলের আবেদন (ফৌজদারি রিভিশন) খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে বিচারিক আদালতকে ৬ মাসের মধ্যে মামলাটি নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে, এম হাফিজুল আলম সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ এ আদেশ দেন।

আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। আসামিপক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন।

২০১৪ সনের ৯ অক্টোবর শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করে দুদক। রাজধানীর রমনা থানায় দুদকের উপ-পরিচালক মো. মঞ্জুর মোর্শেদ বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয় শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি দুদকে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ১৩ লাখ ১৩ হাজার ৯৪০ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। এছাড়াও দুদকের অনুসন্ধানে তার বিরুদ্ধে মোট ১ কোটি ৪০ লাখ ৪২ হাজার ৬৭০ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

তথ্য গোপনের বিষয়ে মামলার এজাহারে বলা হয়, জমি ক্রয়ে রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ ৩ লাখ ১৩ হাজার ৯৪০ টাকা এবং লক্ষীপুরের কুশখালীতে তার নামে স্কুলে অনুদান বাবদ ১০ লাখ টাকাসহ মোট ১৩ লাখ ১৩ হাজার ৯৪০ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন তিনি, যা দুদক আইন-২০০৪-এর ২৬ (২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

অন্যদিকে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের বিষয়ে জানা যায়, এ্যানির দেয়া তথ্য অনুসারে স্থাবর-অস্থাবর ও অপ্রদর্শিত সম্পদ মিলিয়ে মোট ৩ কোটি ৭৫ লাখ ৩৫ হাজার ২৬৬ টাকার সম্পদের মালিকানা অর্জন করেছেন। যার মধ্যে দায় হিসেবে ৫০ লাখ টাকা দেখিয়েছেন। অর্থাৎ দায় বাদ দিলে তার নিট সম্পদের পরিমাণ হয় ৩ কোটি ২৫ লাখ ৩৪ হাজার ২৫৭ টাকা। যেখানে ২০১৩ সালের ৩০ জুনে দেওয়া সম্পদ বিবরণী অনুসারে তার ১ কোটি ৭৬ লাখ ৯১ হাজার ৫৮৭ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। ২০১৬ সালের ২৪ মে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত এ্যানির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। সে অভিযোগ গঠন আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে ফৌজদারি রিভিশন দায়ের করা হয়।

এরপর একই বছরের ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট বিচারিক আদালতে থাকা মামলাটির কার্যক্রম ৬ মাসের জন্য স্থগিতসহ মামলার দায় হতে এ্যানিকে কেন অব্যাহতি দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করেছিলো আদালত। যা আজ খারিজ (ডিসচার্জ) করে দিয়েছে আদালত।

অমৃতবাজার/আরএইচ