ঢাকা, শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯ | ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা: বেগম জিয়ার সাজা বেড়ে ১০ বছর


অমৃতবাজার রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১০:৫৮ এএম, ৩০ অক্টোবর ২০১৮, মঙ্গলবার | আপডেট: ১১:৩৪ এএম, ৩০ অক্টোবর ২০১৮, মঙ্গলবার
অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা: বেগম জিয়ার সাজা বেড়ে ১০ বছর ফাইল ছবি

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কারাদণ্ড পাঁচ বছর থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর করেছেন আপিল বিভাগ। মামলার অপর আসামিদের পূর্বের ১০ বছর সাজা বহাল রয়েছে।

মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ খালেদার খালাস চেয়ে করা আপিলের বিষয়ে এই রায় দেন।

এর আগে এ মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পাঁচ বছর কারাদণ্ডের রায় হাইকোর্টে বহাল থাকবে কি না, সে সিদ্ধান্ত নিতে আজকের দিনটি ধার্য করা হয়। এ মামলার আপিলের ওপর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে সোমবার বিকালে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রায়ের জন্য এ দিন ঠিক করে দেন।

খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আপিল আবেদনে তার খালাস চেয়েছেন। অন্যদিকে দুদকের আইনজীবী খালেদা জিয়ার সাজা বাড়িয়ে যাবজ্জীবন চেয়েছেন। আর রাষ্ট্রপক্ষ বিচারিক আদালতের দেয়া ৫ বছরের সাজাই বহাল রাখার পক্ষে যুক্তি দিয়েছে।

এর আগে এদিন দুপুরে এ মামলায় হাইকোর্টে খালেদা জিয়ার আপিল নিষ্পত্তিতে সময় বাড়ানোর আবেদন খারিজ করে দেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ। ফলে আগে নির্ধারণ করে দেয়া ৩১ অক্টোবর সময়ের মধ্যেই আপিল শুনানি শেষ করতে হচ্ছে। এছাড়া এ মামলায় অর্থের উৎস স্পষ্ট করতে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের বিষয়ে খালেদা জিয়ার যে আবেদনটি হাইকোর্টে নথিভুক্ত রাখা হয়েছে, সেটিও একদিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে বলা হয় আদেশে।

প্রসঙ্গত, এ মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয় বিচারিক আদালত। একইসঙ্গে খালেদার ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয় আদালত। রায় ঘোষণার পরপরই খালেদা জিয়াকে নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। কারা হেফাজতে বর্তমানে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব চিকিৎসা বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

অমৃতবাজার/সুজন