ঢাকা, বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ১১ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

হাতিরঝিল প্রকল্প থেকে অবৈধ স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ


অমৃতবাজার রিপোর্ট

প্রকাশিত: ০৪:০৬ পিএম, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, সোমবার
হাতিরঝিল প্রকল্প থেকে অবৈধ স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ

রাজধানীর হাতিরঝিল-বেগুনবাড়ি প্রকল্পের লে-আউট প্লান বহির্ভূত স্থাপনা আগামী সাত দিনের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্টের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এছাড়া এ বিষয়ে রুলও জারি করেছেন আদালত। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতেও বলেছেন আদালত।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অসিত তালুকদার।

এ বিষয়ে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ সাংবাদিকদের জানান, হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে সরকার হাতিরঝিল-বেগুনবাড়ী প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করেছে। এতে করে ঢাকার অন্যতম নান্দনিক স্থাপনায় পরিণত হয়েছে এ জায়গা। হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন সেখানে ভ্রমণে যায়। কিন্তু লেআউট প্ল্যানের নির্দেশনার বাইরে সেখানে কিছু অবৈধ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম চলছে। এ ব্যাপারে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) নিষ্ক্রিয়। এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন গত ১ আগস্ট একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে জনস্বার্থে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে রিট করা হয়।

পরে আজ এ রিটের শুনানির পর রুল জারি করে সাত দিনের মধ্যে হাতিরঝিল-বেগুনবাড়ী প্রকল্পের নকশা পরিকল্পনার বাইরে থাকা অবৈধ স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ দেন আদালত।

এছাড়া রুলে হাতিরঝিল-বেগুনবাড়ী প্রজেক্টের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বন্ধে এবং লেআউট প্ল্যান অনুসারে হাতিরঝিল-বেগুনবাড়ী প্রজেক্টকে রক্ষা করার জন্য কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়েছেন উচ্চ আদালত।

মনজিল মোরসেদ জানান, আদেশে আদালত রাজউকের চেয়ারম্যান, ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার, হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও প্রকল্প পরিচালককে প্রকল্প এলাকায় প্রতিনিয়ত পর্যবেক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। যেন কেউ লেআউট প্ল্যান-বহির্ভূত স্থাপনা তৈরি করতে না পারে। তা ছাড়া আদালতের আদেশের বিষয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান এই আইনজীবী।

অমৃতবাজার/সুজন