ঢাকা, রোববার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৮ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

বাগেরহাটে নসিমুনচালক হত্যায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড


বাগেরহাট সংবদদাতা

প্রকাশিত: ০৮:১৩ পিএম, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার
বাগেরহাটে নসিমুনচালক হত্যায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড প্রতিকী ছবি

বাগেরহাটের সদর উপজেলার চুলকাঠি এলাকার নসিমুনচালক মামুন মোল্লা হত্যা মামলায় ৪ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে দণ্ডপ্রাপ্ত ৪ জনের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা ও অনাদায়ে প্রত্যেককে ৫ বছরের কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার বিকালে বাগেরহাটের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত -১ এর বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এই রায় প্রদান করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন, সৈয়দ জাহিদ হোসেন ও আসামি পক্ষে ছিলেন মো. মোসলেম উদ্দিন ও মো. এনায়েত হোসেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- বাগেরহাট সদর উপজেলার ভট্ট-বলিয়াঘাটার গ্রামের আব্দুল ফকিরের ছেলে সোহাগ ফকির, গোলাম মোস্তফা মাফুজের ছেলে ইব্রাহিম মোল্লা, দক্ষিণ খানপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে মিজান ও ফকিরহাট উপজেলার লকপুর গ্রামের ওমর আলী মোল্লার ছেলে জুনু ওরফে ইসমাইল মোল্লা।

একই মামলা অপর আসামি খুলনার জোনাব আলী গাজীর ছেলে জয়নাল আবেদীনকে ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাসের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। রায় ঘোষণাকালে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত মিজান ও জুনু ওরফে ইসমাইল মোল্লা পলাতক ছিলেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর আসামিরা পরস্পরের সহযোগিতায় বাগেরহাট সদর উপজেলার হাকিমপুর গ্রামের আব্দুল্লাহ মোল্লার ছেলে নসিমুন চালক মো. মামুন মোল্লার নসিমুন নিয়ে খুলনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করে। পরে মামুন মোল্লাকে তার পরিবারের লোকজন খুঁজে না পেয়ে ৯ সেপ্টেম্বর বাগেরহাট সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে।

এক বছর পরে অন্য একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে বাগেরহাট সদর থানার এসআই আজগর আলী এক আসামির কাছ থেকে জানতে পারেন তারা নসিমুনচালক মামুন মোল্লাকে নসিমুনসহ ভাড়ায় নিয়ে খুলনায় কাজীবাছা নদীর পাড়ে গলায় গামছা পেচিয়ে হত্যা করে। পরে তার নসিমুনটি অন্যত্র বিক্রি করে দেয়। এই ঘটনা জানতে পেরে ২০১৪ সালের ১২ জুন একটি হত্যা মামলা দায়ের করে পুলিশ। পরে মামলাটি সিআইডিতে ন্যাস্ত করা হয়।

সিআইডি পরিদর্শক মো. নিজাম উদ্দিন হাওলাদার ২০১৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৪ আসামিসহ ৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। আদালত স্বাক্ষীদের স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে এই রায় প্রদান করেন।

অমৃতবাজার/সুজন