ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮ | ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

কঠোর নিরাপত্তায় পুরনো কারাগারেই শুরু হচ্ছে খালেদার বিচার


অমৃতবাজার রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১২:০৮ পিএম, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, বুধবার
কঠোর নিরাপত্তায় পুরনো কারাগারেই শুরু হচ্ছে খালেদার বিচার

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার বিচার সম্পন্ন করতে আদালত বসেছে ঢাকারনাজিমুদ্দিন রোডস্থ পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে। এ উপলক্ষে কারাগারের আশপাশে নেয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বুধবার সকাল সাড়ের ১০টার দিকে বসছে বিশেষ এই আদালত।

সরেজমিন দেখা গেছে, পুরনো এ কারাগারটির দুদিকের সড়কেই বন্ধ করে দেয়া হয়েছে যান চলাচল। বন্ধ রাখা হয়েছে আশপাশের দোকানপাটও। এ ছাড়া যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে মোতায়েন করা হয়েছে বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য। সামনে প্রস্তুত রাখা হয়েছে ফায়ার সার্ভিসের গাড়িও।

মামলার শুনানির জন্য এ কারাগারের প্রশাসনিক ভবনের ৭ নম্বর কক্ষকে অস্থায়ী আদালত হিসেবে ঘোষণা করে। মঙ্গলবার বিকালে এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করছে আইন মন্ত্রণালয়। এতে বলা হয়, ‘নিরাপত্তাজনিত কারণে’ এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

গেজেটে বলা হয়েছে, ‘বকশীবাজার এলাকার সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা ও সাবেক ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারসংলগ্ন মাঠে নির্মিত এলাকাটি জনাকীর্ণ থাকে। সে জন্য নিরাপত্তাজনিত কারণে বিশেষ জজ আদালত-৫ নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রশাসনিক ভবনের ৭ নম্বর কক্ষকে আদালত হিসেবে ঘোষণা করা হল।

৮ ফেব্রুয়ারি থেকে (প্রায় সাত মাস) জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ের পর থেকে খালেদা জিয়া ওই কারাভবনের দোতলার একটি কক্ষে রয়েছেন। কারাগারে যাওয়ার পর থেকে চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার নির্ধারিত দিনগুলোতে তিনি আদালতে হাজিরা দেননি।

এর আগে ৭ আগস্ট এ মামলায় যুক্তিতর্কের জন্য দিন ধার্য ছিল। ওই দিনও খালেদা জিয়া কারাগার থেকে আদালতে হাজির হননি। তবে আদালত খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ বর্ধিত করেছেন। চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ সব আসামির সর্বোচ্চ সাজা অর্থাৎ সাত বছর কারাদণ্ড দাবি করে দুদক প্রসিকিউশন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলাটি করে দুদক। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি খালেদা জিয়াসহ চারজনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দেয়া হয়। এর পর ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে আসামিদের বিচার শুরু হয়।

অমৃতবাজার/জয়